নতুন বছরে আমদানিতে ঊর্ধ্বগতি

0
41

Container_Shipআগের বছরের বড় অংশ জুড়ে আমদানি নিম্মমুখী থাকলেও নতুন বছরে এসে বদলে গেছে ধারা। চলতি বছরের প্রথম মাসে সামগ্রিক আমদানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ভোগ্য পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতি-সব কিছুতেই ঊর্ধমুখী ধারা। গত বছরের জানুয়ারি মাসে আমদানি সাড়ে ৬ শতাংশ কমেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত জানুয়ারি মাসে ৩২৯ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি হয়েছে। আগের বছরের জানুয়ারি মাসে আমদানির পরিমাণ ছিল ২৯৬ কোটি ডলার। আর ২০১২ সালে জানুয়ারি মাসে ৩১৭ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছিল।

জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ায় দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে আমদানিতে তারই প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত এক বছরে শিল্পদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে ছিলেন সতর্ক-সংযত। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় বিনিয়োগ পরিস্থিতিও বদলে যাচ্ছে। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘদিন ভোগ্য পণ্যের মূল্য নিম্নমুখী থাকলেও সম্প্রতি আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে। এ কারণে একই পরিমাণ পণ্য আমদানিতে আগের বছরের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

প্রকৃত আমদানির পাশাপাশি ঋণপত্র খোলা বা আমদানি আদেশের হারও বেড়েছে জানুয়ারি মাসে। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৩২৬ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমদানির জন্য এলসি বা ঋণপত্র খোলা হয়েছিল। এবার তা বেড়ে হয়েছে ৩৪৪ কোটি ডলার। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ২৮১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছিল। এ হিসেবে জানুয়ারি মাসে ঋণপত্র খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ; যা গত বছরের জানুয়ারি মাসে ছিল ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।