বছরে ৪ হাজার কোটি ডলারের টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি করবে দেশ

0
31

jahangirটেক্সটাইল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে জার্মান ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির করা পূর্বাণুমানকে জোরালো সমর্থন জানালেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমইএ) সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন।

ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানি সম্প্রতি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে আগামি ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৪ হাজার কোটি ডলারের বেশি টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানির করবে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১১তম ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস মেশিনারি এক্সিবিশন-২০১৪’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর আলামিন ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন।

ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির বরাত দিয়ে জানান, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২ হাজার ২৪৩ কোটি ডলার। আর তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে এই শিল্পের অংশগ্রহণ ৫ শতাংশের মতো।

এদিকে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বলছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে নীট ওয়ার খাতে ৫৯৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি। আর একই সময়ে ওভেন খাতে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৫৯৮ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ২০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি।

২০১২-১৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাকের নীট ওয়ার খাতে রপ্তানি ছিলো ১০৪৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। নীট খাতে চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ১১৫৭ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

আর ২০১২-১৩ অর্থবছরে ওভেন খাতে রপ্তানি ছিলো ১১০৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। আর চলতি অর্থবছরে ওভেনখাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৫৭ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে আলামিন বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতি হলে এই খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার আরও বাড়বে। তাতে সূতা ও বস্ত্র উৎপাদন বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি এ সময় জানান, ২০১৩ সালে টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ২২০০ কোটি টাকার উপরে। তার মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ১১৬৫ কোটি টাকার মেশিনারি ও স্পেয়ার পার্টস আমদানি হয়েছে।

আর জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে এই পরিমাণ ছিলো ১২৩১ কোটি টাকা।যা বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ মেশিনারি বৃদ্ধি পেয়েছে।