`লোকজন বেশি হলে মেলায় ঘুরতে মজা লাগে’

0
36
Boimela

Boimelaবাঙালির প্রাণের বই মেলা। দিন যত যায় ততই যেন প্রাণ ফিরে পায়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মেলায় ঢোকা দারুণ আনন্দের ব্যাপারও বটে। কোনো জাতি তার ভাষার জন্য প্রাণ দিতে পারে- এর বিরল দৃষ্টান্ত শুধু বাংলাদেশ। ভাষার স্মৃতি বিজরিত এই অমর একুশে গ্রন্থমেলা। আজ মেলার ১২ তম দিন দেখলেই মনে হবে মেলা তার পূর্ণতা পাচ্ছে।

৩টা বাজার অনেক আগেই দর্শনার্থীরা মেলার গেটে এসে হাজির। লাইনে দাঁড়িয়ে মেলায় প্রবেশ কবে প্রত্যেকটি স্টলে ঘুরে দেখছে আনন্দ ভরে। ছোট্ট সোনামনিরা তার মায়ের হাত ধরে হাঁটছে।

কারো আবার নানা ধরনের প্রশ্ন। মা এটা কী, ওটা কী। মা মনি এটা নজরুল মঞ্চ। নজরুল কে? সেতো আমাদের জাতীয় কবি। এরকম অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর দিতে রীতিমতো হাঁপিয়ে ওঠেন ছোট্ট সোনাদের অভিভাবকরা।

অনুপম প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, বই মেলায় আগের চেয়ে লোক অনেক বেশি হয়। দিন যত ঘনিয়ে আসবে মেলা ততবেশি জমবে।

তরুণ কবি মীর তারিকুল ইসলাম সজিব বলেন, মেলা আগের চেয়ে অনেক প্রাণবন্ত এবং সরগরম। সবাই এখন স্বাচ্ছন্দ্যে বই কিনতে পারছে।

তিনি বলেন, বই মেলা শুধু বইয়ের মেলার মধ্য সীমাবদ্ধ নেই এটা বাঙালির সাংস্কৃতির একটা অংশও বটে।

মেলায় সবাই বড় বড় লেখকের বই বেশি খোঁজে এবং কিনে। বড় লেখকদের পাশাপাশি নতুন ও তরুণ লেখকদের বই পড়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন তরুণ এই কবি।

কবি আরও বলেন, এবার  বই মেলায় “আমার একটি নতুন বই ‘আবার কবে হবে দেখা’ বের হয়েছে। আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে। বইটি প্রকাশ করেছে বিজয় প্রকাশ।”

মিরপুর মনিপুর সরকারি স্কুল থেকে আগত গোলাম রাব্বী বলেন, এর আগে মেলায় আসার পর লোকসমাগম কম থাকায় ভালো লাগেনি। আজ মেলায় দর্শনার্থী বেশি হওয়ায় বেশ আনন্দ লাগছে বলেও জানান ওই ছাত্র।

মেলায় আগের চেয়ে লোক সমাগম অনেক বেশি হচ্ছে।  লোকজন বেশি হলে মেলায় ঘুরতে মজা লাগে।

 

এসএস