পটিয়ায় পুলিশ-বিজিবি-জনতার ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ২০

0
88
ctg pic police-bgb_25543

ctg pic police-bgb_25543গাড়ি ওভারটেককে কেন্দ্র করে চট্রগ্রামের পটিয়ায় পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় জনতার ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পটিয়া বাসস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে স্থানীয় দুই সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া বাসস্টেশন এলাকায় সকালে ইউনিক পরিবহনের একটি বাস বিজিবি সদস্যদের বহনকারী একটি গাড়িকে (গাড়ি নং- চট্ট-মেট্টো-ঠ-১১-০২২৮) ওভারটেক করা নিয়ে বাকবিতণ্ড হয়।

এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা গাড়ি থামিয়ে ইউনিক গাড়ীর ড্রাইভার সহিবুর রহমান ও  হেলপার আনোয়ারকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। হেলপার আনোয়ার গায়ে রক্ত দেখে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় জনতার সাথে বিজিবি ও পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে।

ঘটনার সময় পুলিশের বেধড়ক লাঠি পেটায় সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি তোলার সময় দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ-এর পটিয়া প্রতিনিধি শফিউল আজম ও পূর্বদেশ প্রতিনিধি রবিউল হোসেনসহ কমপক্ষে ২০জন আহত হয়। আহত ইউনিক গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপারকে পটিয়া থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

পটিয়া থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গাড়ি ওভারটেক করা নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে বিজিবি সদস্যরা ড্রাইভার ও হেলপারকে পিটিয়ে আহত করে। এতে বাস শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে আরাকান সড়ক বন্ধ করে দেয়। তারা বিজিবি সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালালে পুলিশ বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

বাস শ্রমিক নেতা মো.আলী অবিলম্বে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলার তদন্ত করে বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। তাছাড়া তারা পরিবহন শ্রমিকদের জরুরি সভা ডেকেছেন।

এমআর/কেএফ