কাল থেকে শুরু হচ্ছে টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস মেশিনারি এক্সিবিশন ২০১৪

0
105
টেক্সটাইল

টেক্সটাইলবুধবার ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ১১তম ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল টেক্সাইল এন্ড গার্মেন্টস মেশিনারি এক্সিবিশন- ২০১৪’। প্রদর্শনীটি আগামিকাল থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের প্রদর্শনীতে  বিশ্বের ৩১ টি দেশের ৮৫০ টি কোম্পানি ১৫ হলে ১০২০টি নিয়ে তাদের যন্ত্র ও পণ্য প্রদর্শন করবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন এই প্রদর্শনীর ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় এই প্রদর্শনী প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত উদ্বোধন করবেন।

তাইওয়ানের কোম্পানি চ্যাং চাও ইন্টান্যাশনাল কো ও হংকংয়ের ইয়র্কাস ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিসের সহযোগিতায় বিটিএমইএর এই প্রদর্শনীর যৌথ আয়োজন করছে। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

জাহাঙ্গীর আলামিন বলেন, ইতোমধ্যে এই প্রদর্শনীটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মিনি আইটিএমই হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তিনি বলেন, এই মেলা দেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য একটি উৎকৃষ্ট ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এর মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী, প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীগণ সংশ্লিষ্ট শিল্পের জন্য উন্নতমানের মেশিন, মালামাল, যন্ত্রপাতি এবং এর উৎস সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করাসহ মেলা থেকে মেশিনারি ক্রয় করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

তাছাড়া এই ধরণের প্রদর্শনীর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের সরবরাহ চেইন সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিশেষ করে স্পিনিং, উইভিং, নিটিং, ডায়িং-প্রিন্টিং-ফিনিশিং টেস্টিং, ওয়াশিং, অ্যামব্রয়ডারি, সেলাইসহ সংশ্লিষ্ট সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি। তাছাড়া ২০১৩ সালে এই মেলার স্পট অর্ডার হয়ে ছিলো ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন ২০১৩ সালে টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ২২০০ কোটি টাকা। তার মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ১১৬৫ কোটি টাকার মেশিনারি ও স্পেয়ার পার্টস আমদানি হয়েছে। আর জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে এই পরিমাণ ছিলো ১২৩১ কোটি টাকা। যা বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ মেশিনারি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তাছাড়া, একই সময়ে আরও ৫টি নতুন স্পিনিং ও ৬টি উইভিং মিল স্থাপনের জন্য মেশিনারি আমদানি হয়েছে বলে জানান তিনি। আর আগামি ১ বছরের মধ্যে এই সব কারখানায় উৎপাদনে যেতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

২০১২-১৩ অর্থ বছরে খাত থেকে রপ্তানি আয় হচ্ছে ২২৪৩ বিলিয়ন ডলার। আর তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে এই শিল্পের অংশগ্রহণ ৫শতাংশের মতো। তিনি আরও বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতি হলে এই খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার আরও বাড়বে। তাতে সূতা ও বস্ত্র উৎপাদন বিপুলভাবে বৃদ্ধিপাবে বলে মনে করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।