আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উড়ছে ‘আকাশ প্রদীপ’

0
169

akash_prodipবিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নতুন বিমান আকাশ প্রদীপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে আকাশ প্রদীপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ‘আকাশ প্রদীপ’ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যুক্ত হয়। নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ (বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর) মার্কিন বোয়িং কোম্পানি থেকে কেনা।

উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের নিজেদের বিমানের সেবার মান ভালো হলে কেউ আর বিদেশি বিমানে চড়বে না।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় আশা প্রকাশ করেন, আগামি মার্চের মাঝামাঝি সময় চতুর্থ বোয়িং উড়োজাহাজ ‘রাঙা প্রভাত’ বিমান বহরে যুক্ত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভালো সেবা দিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। তার মতে সেটা হলে বিমান তার ক্ষতি পুষিয়ে লাভও করতে পারবে।

এদিকে বিমান বন্দরের ইমিগ্রেশনের ভোগান্তি ও ডেসপাসের জটিলটা কমাতে নানা পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিমান বন্দর রেল স্টেশন থেকে বিমান বন্দের ডেসপাস পর্যন্ত একটি আন্ডারপাসের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। সেই সাথে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

বাংলাদেশ বিমানের তথ্য মতে, আকাশ প্রদীপ  নিয়ে বিমান বহরের নতুন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল তিনটি। আর আগামি মার্চে  মাঝামাঝি ‘রাঙা প্রভাত’ বিমান বহরে যুক্ত হলে এ সংখ্যা হবে চারটি।

নতুন প্রজন্মের নতুন ১০টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য বিমান বাংলাদেশ ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এয়ারক্রাফট কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে। ওই চুক্তির আওতায় চারটি সুপরিসর বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, দুটি ৭৩৭-৮০০ ও চারটি বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার পর্যায়ক্রমে বিমান বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর মধ্যে দুটি বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর ২০১১ সালে বিমান বহরে যুক্ত হয়। সেগুলোর নাম রাখা হয়েছে ‘পালকি’ ও ‘অরুণ আলো’। পর্যায়েক্রমে বাকি উড়োজাহাজগুলো ২০১৯ সালের মধ্যে বহরে যুক্ত হবে।

এদিকে আজকের এই উদ্বোধনী কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন বিমান  ‘আকাশ প্রদীপ’ যুক্ত হলেও বহর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে  ডিসি-১০-কে।