পাঁচ বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী

0
89
Tufayel

Tufayelআগামি ৫ বছরে রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৃতীয় মেয়াদেই এ লক্ষ্য মাত্রায় পৌছানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সোমবার বিকেলে ১৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ক্রমাগত হরতাল-অবরোধ থাকার পরও গত ৬ মাসে আমরা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সেখানে আমরা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছি ১৪ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার। আগামি ৫ বছরে এটা ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৬টি শর্তের মধ্যে ১৩টি পূরণ করা হয়েছে। বাকি ৩টি শর্ত পূরণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়নের সুযোগ ও পোশাক কারখানায় ২’শ ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হবে।

দেশের ১৯টি কারখানায় শ্রমিক নির্যাতনের প্রসঙ্গ টেনে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কারখানায় শ্রমিক নির্যাতনের বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিজিএমইএ এর সভাপতিসহ এসব কারখানার মালিকদের ডেকে আনা হবে এবং তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। রপ্তানির এ লক্ষমাত্রায় পৌঁছাতে বিরোধীদলকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  কেবল রাজনীতি আর দেশের অর্থনীতি দু’টোকে এক না করলেই এই প্রত্যাশা পূরণ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ডব্লিউটিও বাংলাদেশের পণ্যকে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা প্রদান করলে আমাদের দেশের দক্ষ রপ্তানিকারকরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে ভাল অবস্থানে পৌঁছতে পারবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে এর পরিমাণ ছিল ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে এবার তা বাড়িয়ে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৩০.৫ মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। আর তা হবে ২০০৮ সালের রপ্তানি আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।

মন্ত্রী বলেন, ইউরোপ-আমেরিকার পর এখন সরকারের লক্ষ্য হলো এশিয়ার রপ্তানি বাজার দখল করা। আর এ জন্য সরকার কোরিয়া ও চীনে আঞ্চলিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

অনষ্ঠানে বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব মাহবুব আহমেদ, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, মেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু, সদস্য সচিব ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ প্রমুখ।

জেইউ