ঝিনাইদহে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা

0
101
Jhenaidah

Jhenaidahঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের মধুপুর বাজারে আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সাধারণ ভোটারদের হুঁশিয়ার করে দেওয়া হয়েছে। আগামি ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার ঝিনাইদহের পুর্বাঞ্চলে ভোটারদের আতঙ্কিত করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মহড়া চালায়। তারা আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কনক কান্তি দাসের পোস্টার ব্যতীত বিএনপির আব্দুল আলীমের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং প্রচারণায় বাধা দেয়।

এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল আলীম শনিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আলীম লিখিতভাবে অভিযোগে উল্লেখ করেন, শনিবার সকালে মধুপুর বাজার থেকে সশস্ত্র মিছিল বের করে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। এ সময় মিছিলকারীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। মিছিল থেকে শুধু পোস্টার ছিঁড়েই ক্ষান্ত হয়নি তারা, ৩০/৩৫টি মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়ে এলাকার বিএনপি সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকিও দিয়েছে।

মিছিলকারীরা বলছে, যারা ৫ জানুয়ারি ভোট দিতে যায়নি তারা ১৯ ফেব্রুয়ারি ভোট দিতে গেলে তোদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। শনিবার সকালের এ ঘটনার পর বিএনপি সমর্থক পর্যায়ের অনেক লোকজন এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

আব্দুল আলীম অভিযোগ করেন, শুধু পোড়াহাটি ইউনিয়ন নয়, বিএনপি সমর্থকদের এমন হুমকি- ধামকি দেওয়ার ঘটনা ঘটছে সুরাট, হলিধানী, কালীচরণপুর ও পদ্মাকর ইউনিয়নেও। শুক্রবার কালীচরণপুর বাজারে বিএনপি সমর্থকরা পোস্টার লাগাতে গেলে তাদের নিকট থেকে পোস্টার ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। প্রকাশ্যে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন ভোট চাইতে বাঁধা দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল মহড়া ও আমার কর্মীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তবে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কনক কান্তি দাস বলেন, তার কোনো কর্মী সমর্থক সশস্ত্র কোনো মিছিল করেনি। জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা মিথ্যাচার করছে।

এসব বিষয়ে ঝিনাইদহের রিটার্নিং অফিসার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ তিনি পাননি।