ডিএসইতে লেনদেনের সর্বোচ্চ অংশ ব্যাংক খাতের

0
70
Turnover

Turnoverগত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেনের সর্বোচ্চ অংশ ছিল ব্যাংক খাতের দখলে।মোট লেনদেনের ১৭ শতাংশই হয়েছে এই খাত।আলোচিত সপ্তাহে ব্যাংক খাতে প্রতিদিন গড়ে ১২৩ কোটি টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি।

মোট লেনদেনের ১৪ শতাংশ লেনদেন করেছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। তবে প্রতিদিন গড়ে ৯৮ কোটি টাকা লেনদেন করেও ১৬ শতাংশ লেনদেন কমেছে এই খাতের।

অপরদিকে সর্বোচ্চ লেনদেন বেড়েছে সিরামিক খাতের। এই খাতের লেনদেন বেড়েছে ১৩৮ শতাংশ। মোট লেনদেনের ১ শতাংশ অংশ ছিল এই খাতের।প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি টাকা লেনদেন ছিল সিরামিক খাতের।

সেবা এ আবাসন খাতরে লেনদেন বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। এই খাত প্রতিদিন গড় লেনদেন করে ৬ কোটি টাকা। এই অংশ ডিএসইতে মোট লেনদেনের এক শতাংশ।

টেলিকমিউনিকেশন খাতের লেনদেন বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। প্রতিদিন গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি টাকা। মোট লেনদেনে এই খাতের অংশ ছিল ৩ শতাংশ।

আইটি খাতের লেনদেন বেড়েছে ৪৮ শতাংশ। প্রতিদিন গড় লেনদেন করে ১৯ কোটি টাকা। মোট লেনদেনের মধ্যে এই খাতের অংশ ছিল ৩ শতাংশ।

ভ্রমণ ও অবসর খাতের লেনদেন বেড়েছে ৩৬ শতাংশ। প্রতিদিন গড় লেনদেন করে ২০ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেনের ৩ শতাংশ ছিল এই খাতের।

পাট খাতের লেনদেন বেড়েছে ২৫ শতাংশ। প্রতিদিন গড় লেনদেন করে ২৪ লাখ টাকা। তবে এই খাতের ডিএসইতে মোট লেনদেনের কোন অংশ নেই।

এছাড়া ২১ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে সাধারণ বিমা খাতের।মোট লেনদেনে এই খাতের অংশ ছিল ৫ শতাংশ। জীবন বিমা খাতের লেনদেন বেড়েছে ১৬ শতাংশ।

অপর দিকে লেনদেন কমেছে দশটি খাতের। এর মধ্যে সিমেন্ট খাতের কমেছে ১৭ শতাংশ, প্রকৌশল খাতের ৬ শতাংশ,খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ১০ শতাংশ,জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ১৬ শতাংশ,বিবিধ খাতের তিন শতাংশ,মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের ২৭ শতাংশ,এনবিএফআই খাতের ৪ শতাংশ,পেপার অ্যান্ড প্রিণ্টিং খাতের ৩৪ শতাংশ, ট্যানারি খাতের ১ শতাংশ এবং বস্ত্র খাতের ১৫ শতাংশ লেনদেন কমেছে।

এমআরবি/