পেঁয়াজ ও সবজির দাম কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
43
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কারওয়ান বাজার থেকে ছবি তুলেছেন মহুবার রহমান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কারওয়ান বাজার থেকে ছবি তুলেছেন মহুবার রহমান।
কারওয়ান বাজার থেকে ছবি তুলেছেন মহুবার রহমান।

রাজধানীর খুচরা বাজারে কমেছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতিকেজি পেঁয়াজে মানভেদে ৫-১০ টাকা কমেছে। আর এক মাসের তুলনায় কেজিপ্রতি পণ্যটির দাম কমেছে ৩০-৪০ টাকা। কাঁচাবাজারে আগাম শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও, কমলাপুর কালোনিসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। এক মাস আগেও প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছিল ৮০-৯০ টাকায়।

প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকা দরে। গত পপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকায়; এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭৫ টাকা দরে। এছাড়া মায়ানমারের পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে গত এক মাসের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম ৩৩.৩৩ শতাংশ ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ৩৭.০৪  শতাংশ কমছে।

বাজারে দেশি রসুন প্রতিকেজি ৮০-৯০, তিন দানা রসুন ৯০ টাকা, একদানা ১২০ টাকা ও চীনা রসুন ১০০-১১০ টাকা, দেশি আদা ১৩০-১৪০ টাকা এবং চীনা আদা ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এদিকে কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সিম, মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পুইশাক, লালশাক পালংশাকসহ বিভিন্ন ধরনের আগাম শীতকালীন শাক-সবজি দোকানে থরে থরে সাজানো। বাজারে শাক-সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বেশিরভাগ সবজিতে ১০-১৫ টাকা করে দাম কমেছে। সবচেয়ে বেশি কমেছে সিমে। গত সপ্তাহে পণ্যটি ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।

বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ১২০-১৪০ টাকা, বরবটি ৬০-৬৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০-৫৫ টাকা, বেগুন ৫০-৬০, টমেটো ১০০-১১০ টাকা, কাকরোল ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৪০-৪৫ টাকা, মূলা ৪০-৫০, করলা ৬০-৬৫ টাকা, কচুর লতি ও কচুমুখি ৪০-৫০, শসা ৩০-৪০, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা এবং আলু ২৬-২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পুইশাকের প্রতি আটি ২০-২৫ টাকা, পালং শাক ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ২৫-৩০ টাকা, লাল শাক ১০-১২, মুলা শাক ৭-১০, কলমি শাক ১০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৪৫-৫০ টাকা, ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা, পাতাকপি ৩০-৩৫ টাকা, কাঁচাকলার হালি ২৫-৩০ টাকা এবং ১০০ গ্রাম ধনে পাতা ২০-২৫ টাকা।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাঝারি রুই ২০০-৩০০ টাকা, বড় দেশি রুই ৪০০-৫০০, আমদানি করা রুই ৩০০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০-১৮০ টাকা, চাষের কৈ ১৮০-২৫০ টাকা, মাঝারি আকারে ইলিশের জোড়া ৮০০-১০০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৪০০-৪২০ টাকা, খাসি ৫০০-৫৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১৩৫-১৪০ টাকা, লেয়ার ১৪০-১৫০ টাকা, ফার্মের মুরগির ডিম হালি ৩২ টাকা, দেশি মুরগি ডিম ৪৫ টাকা, হাঁসের ডিম ৪০ টাকা  এবং চিনি ৪০-৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এমআই/