প্রকৌশলে ৫২ শতাংশ কোম্পানির মুনাফা কমেছে

0
101

Engineering_Logoপুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলো ভালো ব্যবসা করতে পারেনি। গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের সর্বশেষ প্রান্তিকে প্রায় ৫২ শতাংশ কোম্পানির মুনাফা কমেছে। কোম্পানিগুলোর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য জানা যায়।

প্রকৌশল খাতের মোট ২৫ টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে পুঁজিবাজারে। এর মধ্যে বছর শেষ করে অনিরীক্ষীত হিসাব অনুযায়ী ১৩ টি কোম্পানির মুনাফা কমেছে এবং ১২ টির বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় ২০১৩ সালে অর্থনীতির প্রতিটি খাতই ছিল স্থবির। এতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোও তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো করতে পারেনি। ফলে বেশিরভাগ কোম্পানির মুনাফা কমেছে।

তবে এখন দেশের অর্থনীতি আবার স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। তাই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোও ভবিষ্যতে ভালো মুনাফা করবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

জানা যায়, আফতাব অটোমোবাইলস সমাপ্ত অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকের হিসেব অনুযায়ী কর পরিশোধের পর মুনাফা করেছে ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৮১ পয়সা। আগের বছর মুনাফা করেছিল ১০ কোটি ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির প্রায় ২৩ শতাংশ মুনাফা কমেছে।

বাংলাদেশ ল্যাম্পস  তৃতীয় প্রান্তিকের হিসেব অনুযায়ী লোকসান করেছে ১ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা,শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় লোকসান করেছিল ২ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি লোকসান করেছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। প্রায় ৫৫ শতাংশ লোকসান কমেছে।

এটলাস বাংলাদেশ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তকে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৫৮ পয়সা।আগের বছর একই সময় মুনাফা করেছিল ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা। অর্থাৎ ৫৩ শতাংশ মুনাফা কমেছে।

বাংলাদেশ অটোকারসের অর্ধবার্ষিক হিসাব অনুযায়ী মুনাফা করেছে ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২ পয়সা। আগের বছর একই সময় মুনাফা করেছিল ২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল  ৬ পয়সা।

এছাড়া অর্ধবার্ষিক হিসাব অনুযায়ী দেশবন্ধু পলিমার  মুনাফা করেছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় মুনাফা করেছিল ২ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৫৩ পয়সা। প্রায় ৫৭ শতাংশ মুনাফা কমেছে।

বিডি থাইয়ের মুনাফা ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা থেকে কমে ৯২ লাখ টাকা, আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ে মুনাফা ২৪ লাখ টাকা থেকে ৯৮ লাখ টাকা,  এস আলম কোল্ডরোল স্টিলের মুনাফা ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে কমে ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা, গোল্ডেনসনের মুনাফা ১২ কোটি ২৮ লাখ টাকা থেকে কমে ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বেঙ্গল উইন্ডশরের মুনাফা ৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা থেকে ৯১ লাখ টাকা হয়েছে।