চলছে এমারেল্ড অয়েলের আইপিও লটারির ড্র

0
138
এমারেল্ড অয়েল

এমারেল্ড অয়েলচলছে এমারেল্ড অয়েলের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর লটারির ড্র।সকাল ১০টায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শুরু হয়েছে লটারির ড্র । অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কোম্পানির সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমারেল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাছিবুল গণি গালিব,পরিচালক এএসএম মুনিরুল ইসলাম,পরিচালক স্বজন কুমার বসাক, পরিচালক অমিতাব ভূমি, কোম্পানির সচিব মেহেরুন্নেসা রোজী এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএসই এবং সিএসই কর্মকর্তাবৃন্দ।

লটারির ড্র পরিচালনা করছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষকরা। বুয়েটের শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. নাসিম আহাম্মেদ দেওয়ান, লুৎফা আক্তার এবং ড. কাওছার আলম।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সর্ভিসেস লিমিটেড।

এ কোম্পানির আইপিওতে ২০ কোটি টাকার বিপরীতে ৮০০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা পড়েছে, যা কোম্পানির চাহিদার তুলনায় ৪০ দশমিক ০৩ গুণ।

আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৫২৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার, মিউচুয়াল ফান্ড ১৭৮ কোটি ৫০ লাখ এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন করেছেন।

এর আগে আইপিওতে অংশ নেওয়ার জন্য ৬ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশী এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হয়।

কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। মার্কেট লট ৫০০টি শেয়ারে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি মেয়াদি ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় ২ টাকা ৮৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৪ টাকা ৬ পয়সা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ধানের তুষ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ২০১১ সালের জুলাইয়ে। সম্প্রতি কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

প্রসঙ্গত, পুঁজিবাবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি বিএসইসিতে আবেদন জানায় কোম্পানিটি। আবেদনের ১০ মাসের মধ্যে আইপিওর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিটি স্পন্দন ব্র্যান্ড নামে ভোজ্যতেল উত্পাদন ও বিপণন করে। তবে এর চাহিদা কম থাকায় উৎপাদিত পণ্যের অধিকাংশই এসিআই লিমিটেডের কাছে সরবরাহ করা হয়, যা এসিআই নিজস্ব ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করে। ফলে এক ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ। এছাড়া প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ পরিচালন প্রবাহ ঋণাত্মক থাকায় বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।

২০১১সালে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা ও নেট লোকসান ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০১২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এর পরিশোধিত মূলধন ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়। একই বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির ব্যাংকঋণের পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি টাকা রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ।

এসএ/এমআরবি/