খুলনায় আগ্রহ বাড়ছে নতুন বিনিয়োগে

0
72

SAMSUNG CAMERA PICTURESনির্বাচনের পর থেকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় অনেকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। ফলে খুলনার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ বেড়ে গেছে। যার কারণে সাইড লাইনে থাকা বিনিয়োগকারীরা বাজারে ফিরতে শুরু করেছেন। এতে নির্জীব সিকিউরিটিজ হাউজগুলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

স্থানীয় সিকিউরিটিজ হাউজ কর্মকর্তারা বলছেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর থেকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক সহিংসতা কমে এসেছে। বন্ধ হয়েছে হরতাল-অবরোধ। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বাজারে। যার কারণে জানুয়ারি মাস পেরিয়ে ফেব্রুয়ারিতেও বাজারে সূচক ও লেনদেন ভালো রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যবস্থাপক তাপস কুমার সাহা বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর  পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা অনেকটা নির্ভরশীল। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসায় তার প্রভাব পুঁজিবাজারেও দেখা যাচ্ছে।

তিনি জানান, এতদিন যেসব বিনিয়োগকারীরা বাজার বিমুখ ছিলেন বর্তমানে তারা কিছুটা আস্থা নিয়ে আবারও হাউজে ফিরে এসেছেন।

এসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যবস্থাপক ওয়েস আলী জামাল বলেন, জানুয়ারি মাস ধরে সূচকের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকায় এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার নিয়ে নতুন প্রত্যাশা ভর করেছে। যার কারণে যারা রাগে-ক্ষোভে হাউজে আসা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তারা হাউজে এসে নতুন করে বিনিয়োগ করছেন।

বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, খুলনায় ১৮টি সিকিউরিটিজ হাউজ রয়েছে। যেখানে প্রায় এক লাখ বিনিয়োগকারী রয়েছেন। যাদের মধ্যে রয়েছে, পাট ও চিংড়ি মাছ ব্যবসায়ী, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও কর্মী, এমনকি গৃহিণীরাও। আস্থাহীনতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এসব বিনিয়োগকারীরা রাগে-ক্ষোভে ও দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে অনেকেই বাজার বিমুখ ছিলেন। কিন্তু জানুয়ারি মাস ধরে বাজার ভালো থাকায় বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আস্থা ফিরে পাওয়ায় নতুন করে বাজারে সক্রিয় হয়ে উঠছেন।

সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজের অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে বাজারে সক্রিয় হচ্ছেন।