জানুয়ারিতেও বেড়েছে, বর্তমান রিজার্ভ এক হাজার ৮১২ কোটি ডলার

0
110

Dollar_1বাংলাদেশের ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়েছে। ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় এক হাজার ৮০৭ কোটি ডলার। রিজার্ভ বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতা নতুন বছরেও অব্যাহত রয়েছে। বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতেও রিজার্ভ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে আগের মোট রিজার্ভের সাথে যোগ হয়ে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮১২ কোটি ডলার।

উল্লেখ্য, গত ১৯ ডিসেম্বর দেশে  প্রথম বারের মত রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর বছরের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত রিজার্ভ হয় এক হাজার ৮০৭ কোটি ডলার। যা আগের বছরের (২০১২) চেয়ে পাঁচ হাজার ৭১২ কোটি ডলার বা ৪১ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি। ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৫ কোটি ডলার।

এর আগে ২১ অক্টোবর রিজার্ভ এক হাজার ৭০০ কোটি ডলার অতিক্রম করে। একই বছরের ৭ মে রিজাভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৫০০ কোটি।

জানা গেছে,২০১৩ সালের জুন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় এক হাজার ৫৩১ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ হিসেবে প্রথম ৬ মাসে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ে ২০ দশমিক ১০ শতাংশ। পরবর্তী ৬ মাসে তা বেড়েছে ২১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

বর্তমানে রিজার্ভের দিক থেকে সার্কভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি রিজার্ভ রয়েছে অঞ্চলের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি ভারতের।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানির তুলনায় রপ্তানি বাড়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায়ও রিজার্ভ বেড়েছে। তাছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রমাগত ডলার কিনে চলেছে ফলে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি এবং রেমিটেন্স প্রবাহ ভালো বলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিনদিন বাড়ছে। বর্হিবিশ্বে আমদানি করা কিছু পণ্যের দাম কমেছে। যার কারণে টাকার হিসেবে আমদানি ব্যয় কমেছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকরী পদক্ষেপ, রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স আয়, ইতিবাচক রপ্তানি বৃদ্ধি, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে চালের আমদানি হ্রাস এবং জ্বালানি তেল আমদানিতে আইডিবির ঋণ সহায়তায় আমদানি ব্যয়ের চাপ হ্রাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য কারণ এই রেকর্ড পরিমাণ রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।