ঠাকুরগাঁওয়ে ‘গ্রিন ঠাকুরগাঁও, ক্লিন ঠাকুরগাঁও’-র যাত্রা শুরু

0
79
Thakurgaon

Thakurgaonঠাকুরগাঁও শহরকে সবুজ ও পরিচ্ছন্নতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবার স্বপ্নকে ধারণ করে স্বাক্ষরিত হল ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ও ইএসডিও’র মধ্যে আইএমডব্লিউএসপি (ইমপ্লিমেন্টিং সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম) শীর্ষক চুক্তি।

জেলার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বায়োগ্যাস প্লান্টের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন যুগের সূচনা। ইএসডিও বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ঠাকুরগাঁও পৌর মেয়র এএসএম মঈন এবং ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ শহীদ-উজ-জামান। এর আগে নিজ নিজ পক্ষে অনুস্বাক্ষর করেন পৌরসভার পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম খাঁন, সচিব মজিবর রহমান এবং ইএসডিও’র সিনিয়র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর কেএন সরকার ও পাবলিক রিলেশন অফিসার আবুল মানসুর সরকার।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কাউন্সিলর হামিদুল্লাহ আল মামুন, বাবলুর রহমান, মতিউর রহমান, আতাউর রহমান, ইউসুফ আলী, মইনুল ইসলাম, একেএম সফিউল এনাম পারভেজ, মো. বাবুল, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মালেক মালি, মহিলা কাউন্সিলর নাজিরা আক্তার স্বপ্না ও মাসুদা বেগমসহ পৌর কাউন্সিলরগণ। এছাড়াও ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ পৌরসভার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। ইএসডিও’র পক্ষেও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ। চুক্তিতে বর্ণিত কর্মসূচির আওতায় ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সকল নাগরিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নত করার মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব ‘গ্রিন ঠাকুরগাঁও’ ‘ক্লীন ঠাকুরগাঁও’ প্রতিষ্ঠিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে পৌর মেয়র এএসএম মঈন বলেন, আজ পৌরসভা একটি ঐতিহাসিক দ্বায়িত্ব পালন করছে। এখানকার মাটি মানুষের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ড.জামান ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংস্থার হাতে নাগরিকদের পরিচ্ছন্নতা , পরিবেশ রক্ষা আর গ্রিন ঠাকুরগাঁও প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব অর্পণ করে। তিনি সকল পৌর নাগরিককে এ কর্মসূচিতে সহযোগীতার মাধ্যমে পৌর জীবনকে পরিবেশবান্ধব করার জন্য আহবান জানান।

উল্লেখ্য, এ কর্মসূচিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকবে বর্জ্য সংগ্রহ, অপসারণ, পরিবহন ও রূপান্তরের মাধ্যমে বায়োগ্যাস প্লান্ট বাস্তবায়ন করা যা ঠাকুরগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। কার্যক্রমের সার্বিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম খান।