খুলনায় নদী গর্ভে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীন, আহত চার

0
38
khulna-map

খুলনা ম্যাপখুলনার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন সুতারখালি ইউনিয়নের নলিয়ান বাজারের ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও চারটি বসতবাড়ি শিবসা নদী  গর্ভে বিলীন হয়ে হয়ে গেছে। এ সময় চারজন আহত হয়েছে। এদিকে নদীগর্ভে ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাওয়ায় আনুমানিক দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ করে নলিয়ান বাজার সংলগ্ন শিবসা নদীতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের হোটেল, হরষিৎ মণ্ডলের রেস্টুরেন্ট, তাপস মণ্ডলের সেলুন, আজিজুল হক গাজীর মাছের ডিপো, অসিত মাস্টারের রেস্টুরেন্ট, রফিকুল সরদারের মুদি দোকান, বিকাশের ঘড়ির দোকান, আব্দুল মান্নান ফকিরের মুদি ও কাপড়ের দোকান, ইয়াসিন গাজীর মুদির দোকান, মনিরুজ্জামানের মুদি ও কাপড়ের দোকান, খোকন সানার চায়ের দোকান, আনোয়ারুল হকের হার্ডওয়ারের দোকান, সিরাজুল হক সানার রেস্টুরেন্ট ও মনো কর্মকারের দোকানসহ ১৭টি দোকান এবং আক্তার, আসাদুল, মুজবর সরদার ও আরশাদ গাজীর বসত বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ সময় ইউসুফ সরদার, সাইফুল খান, আনোয়ারুল হক ও আব্দার ফকির আহত হন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নলিয়ান বাজার সংলগ্ন আরো পাঁচটি বাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যে কোন মুহূর্তে এই বাড়িগুলোও শিবসা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, নদী ভাঙ্গনের খবর স্থানীয় সুতারখালি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন ও দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্কাস আলী শিকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন ও স্থানীয়রা জানান, ১৭টি দোকানঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় প্রাথমিকভাবে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর দেড় মাস আগে একই ইউনিয়নের কালাবগী গ্রামের কাকড়াপাড়ার ১৬টি ঘর সুতারখালি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। উক্ত নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেয়া হলেও এখনো কোনো সাহায্য দেয়া হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।