শিল্প ডিজাইন ও প্যাটেন্ট আইন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি ডিসিসিআইয়ের

0
51

tShilpo-Montronaloy-02.02.14--1শিল্প ডিজাইন আইন, প্যাটেন্ট আইনসহ অন্যান্য খসড়া আইনও নীতিসমুহের তড়িৎ অনুমোদন চায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সঙ্গে সঙ্গে এসএমই খাতে উন্নয়ন, বিএসটিআই আধুনিকীকরণ, শিল্পপার্ক স্থাপনসহ শিল্পায়নে নতুন ও উদ্ভাবনী পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি সহায়তা চান তারা।

রোববার রাজধানীর শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ শিল্পমন্ত্রীর কাছে এ সম্পর্কিত কিছু দাবি পেশ করেছে।

সংগঠনটির নতুন সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান বলেন, শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের কাঙ্খিত উৎপাদনশীলতা অর্জন, ব্যবসায়িক ব্যয় সংকোচন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক ভিত্তি বৈচিত্রকরণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ জনগণের আয় ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা সম্ভব।

এই জন্য শিল্পনীতি-২০১০ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে শিল্পমন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় পদক্ষপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। দেশের বিকাশমান শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার দাবি জানান। তিনি বলেন, ডিসিসিআই মনে করে বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা ও শিল্পাঞ্চল স্থাপনের প্রকল্পগুলো শিগগির বাস্তবায়নের জন্য জরুরী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প(এসএমই) খাতের উন্নয়ন নিয়ে সভাপতি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এই খাতকে আরও প্রাধান্য দেওয়া দরকার বলে মনে করে সংস্থাটি।

জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙ্গা এবং পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে ইতোমধ্যে ডেনমার্ক, নরওয়েসহ বেশ কয়েকটি দেশে এখন জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে।

এই শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৪ লাখ মানুষ জড়িত বলে জানান তিনি। তাই শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে ‘জাহাজ নির্মাণ শিল্প নীতিমালা-২০১২’ খসড়াটি দ্রুত পাশ করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

দেশে শিল্পপার্ক স্থাপিত হলে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনকারী  উদ্যোক্তারা আরও অবকাঠামোগত সহায়তা পাবে। এতে করে বিদেশ নির্ভর কাঁচামাল উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন ও বৈদেশিক মূদার সাশ্রয় হবে। তাতে আর্ন্তজাতিক ও দেশিও বাজারে ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, জাহাজ নির্মাণ, প্রকৌশল, ওষুধ, প্লাস্টিক, খেলনা, গৃহস্থলি সহায়ক সামগ্রী, আইটি ওআটিইএস, চামড়া ও রাসায়নিক শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় শিল্প চিহিৃত করে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সহায়তার দাবি জানান।

তাছাড়া তিনি মিল্পায়নে গ্যাস ও ইউটিলিটির ভূমিকা বৃদ্ধি, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে আলোচনার মাধ্যমে সরকার স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী অ্যাকশন পরিকল্পনা  তৈরি করতে শিল্পমন্ত্রণালয়ের প্রতি দাবি জানান।