নারীর কয়টা হাত?

উন্নত বা পশ্চাদপদ যে কোনো সমাজে কর্ম-ক্ষমতার দিক থেকে নারীকে পুরুষের তুলনায় খাটো করে দেখা হয়। গড়পড়তা আট-দশজন মানুষের কথা না হয় বাদই দিলাম,সমাজের অগ্রসর শ্রেণীটাও তো এই ব্যাপারটি নিয়ে খুব আলাদা কিছু ভাবেন না। অগ্রসর-অনগ্রসর সবাই নারীকে এখনো অ্যারিস্টটল-প্লেটোর মতো অর্ধেক পুরুষ বা দ্বিতীয় লিঙ্গ হিসেবেই বিবেচনা করে থাকেন। এই চিন্তার মূলে কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, একজন কর্মক্ষম পুরুষের তুলনায় নারী বড়জোর অর্ধেক কাজ করতে পারে!

কিন্তু বিজ্ঞান বলছে,বহুমাত্রিক কাজের প্রশ্নে পুরুষের তুলনায় নারীই বেশি সব্যসাচী। একজন পুরুষকে যেখানে একটি মাত্র কাজ সামাল দিতে গিয়ে হিমসিম খেতে হয় সেখানে একজন নারী যুগপৎভাবে অনেকগুলো কাজ অবলীলায় সামাল দিতে পারেন।

এমআরআই ইমেজ ব্যবহার করে ৯৪৯ জন যুবক-যুবতীর ব্রেইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিজ্ঞানিরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন, নারীদের ব্রেইন পুরুষদের তুলনায় অনেকগুলো কাজ যুগপতভাবে দক্ষতার সাথে সম্পাদন করতে পারে।

শুধু তাই না, অফিস,ঘরদোর সামাল দেয়ার পরও আত্মীয়-স্বজন-প্রতিবেশীর সাথে যোগাযোগ রক্ষার মতো আরও হাজারো সামাজিকীকরণের কাজেও নারীরা পুরুষের তুলনায় কয়েক গুণ এগিয়ে।

গেল বছর যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স এর গবেষক দল ৪২৮ জন পুরুষ ও ৫২১ জন নারীর উপর গবেষণা চালিয়ে এই ফলাফলা প্রকাশ করেন।

টি