পাকিস্তান ও বিএনপির বক্তব্য এক সূত্রে গাঁথা : হাসান মাহমুদ

0
322
hassan
হাসান মাহমুদ
hassan
হাসান মাহমুদ

দশট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলার রায় নিয়ে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ।

রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রুর‍্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন(আরজেএফ) আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও চলমান রাজনীতি বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসান মাহমুদ বলেন, “বিএনপি এই রায় নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী তারই পুনরাবৃত্তি করেছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হল যে বিএনপি বাংলাদেশের জনগণের জন্য নয় পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষার জন্যই রাজনীতি করে”।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “যারা দেশব্যাপী পেট্রোলবোমা মেরে নিরীহ মানুষের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে এবং নেতৃত্ব দিয়েছে তাদেরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে”।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের প্রতিবেদনকে উদ্দেশ্যমূলক আখ্যা দিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি জামায়াত জোট সারা দেশে পেট্রোলবোমা ও গান পাউডার মেরে পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত করেছে। পঞ্চাশ জনেরও বেশি মানুষ তাদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হয়েছে”।

হাছান মাহমুদ অধিকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন এগুলো মানবাধিকার রিপোর্টে কেন আসে না?

জণগনের কাছ থেকে ৫ বছরের জন্য ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত-শিবির ইসলাম রক্ষার নামে মূলত ইসলাম ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এমন অভিযোগ করে হাছান মাহমুদ বলেন, “চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যের মাহফিলে জুতা নিক্ষেপ করা হয়েছে যা পবিত্র কালেমা লেখা ব্যানারে আঘাত লেগেছে। এটি ইসলামের চরম অবমাননা ছাড়া কিছুই নয়।

এ সময় তিনি জামায়াতকে ইমাম হাসানকে হত্যাকারী ইয়াজিদের সাথে তুলনা করেন।

বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি অর্জনের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কানাডা প্রবাসী দুই বাংলাদেশিকে ধন্যবাদ জানান।

আরজেএফের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবু চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী, জাসদ নেতা মির আক্তার হোসেন, ভাষা সৈনিক ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ, ভাষা আন্দোলন জাদুঘরের পরিচালক এম আর মাহবুব, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান দুর্জয় প্রমুখ।

এসএসআর