যে তিন ভুল বেশি করে মেয়েরা

ভুল মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি।পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই ভুল হয়। তবে নারীদের চেয়ে পুরুষের ভুল করার প্রবণতা একটু কম। এর অন্যতম কারণ পুরুষ একই ভুল বারবার করার চেষ্টা কম করে। সেখানে নারীরা কোনো বিষয়ের সমাধান জেনেও বারবার একই ভুল বেশি করে। আর  জীবনে চলার পথে তারা যে তিনটি ভুল বেশি করে তা তুলে ধরে সম্প্রতি এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হাফিংটন পোস্ট।

বয়স বাড়লেও তরুণী ভাবার কারণে নারীরা হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছে।
বয়স বাড়লেও তরুণী ভাবার কারণে নারীরা হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছে।

১. নিউ ইংল্যান্ড জর্নাল মেডিসিনের গবেষণায় বলা হয়েছে, অনেক নারীই জানেন; পুরুষ ও তাদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পূর্ণই আলাদা। তারপরও ৫০ বছরের নিচে নারীরা হার্ট অ্যাটাকের কারণে দুইবারেরও বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়। শুধু তাই নয়, একই কারণে এই বয়সের নারীরা মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে।

আলাদা এক গবেষণায় গবেষকরা দেখেন, ৩০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে নারীরা হার্ট অ্যাটাকে বেশি আক্রান্ত হয়। এ কথা জানার পরও নারীরা কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নেয় না। কারণ তারা মনে করে, এই বয়সে পৌঁছার পরও তরুণী থাকে। আসলে নারীরা কখনো নিজেদের বয়স বাড়ার কথা চিন্তা করে না।

আগের পোশাক গায়ে আটসাঁট হলেও মাথায় লম্বা হওয়ার কারণে একের পর এক পোশাক পরিবর্তন করে নারীরা
আগের পোশাক গায়ে আটসাঁট হলেও মাথায় লম্বা হওয়ার কারণে একের পর এক পোশাক পরিবর্তন করে নারীরা

২. একজন নারী যে স্থূল হয়ে যাচ্ছে তা আগের পোশাক গায়ে আঁটসাট হলেই বোঝা যায়।কিন্তু নারীরা তা উপলব্ধি করতে চায় না। তারা মনে করে, মাথায় লম্বা হওয়ার কারণে এমনটি হচ্ছে। তাই তারা পোশাকের পর পোশাক পরিবর্তন করে।এরমধ্যে কখন যে তারা ব্যাপক স্থূল হয়ে যায় তা টেরই পায় না। পোশাক ও ফ্যাশনপ্রিয় হওয়ার কারণেও এমনটি ঘটে থাকে। এসবই তাদের জানা বিষয়।

দুশ্চিন্তার কথা জেনেও নারীরা যেকোনো রোগ নির্ণয়ে ডাক্তারকে এড়িয়ে অনলাইনের পরামর্শ নিচ্ছেন।
দুশ্চিন্তার কথা জেনেও নারীরা যেকোনো রোগ নির্ণয়ে ডাক্তারকে এড়িয়ে অনলাইনের পরামর্শ নিচ্ছেন।

৩. বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে নারীরা সরাসরি ডাক্তারের শরনাপন্ন না হয়ে যেকোনো রোগ নির্ণয়ে অনলাইনের আশ্রয় নিচ্ছেন। অথচ তারা জানেন, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরণের ওষুধ সেবন করা উচিৎ নয়।রোগ শনাক্তের ক্ষেত্রে নিজে নিজে পদ্ধতি অবলম্বন করলে অনাহূত চাপ ও দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়। এ কথা বোঝার পরও তারা সচেতন হচ্ছে না। এছাড়া নারী হওয়ার কারণে পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশই ডাক্তারী পেশাকে বেছে নিচ্ছেন।