গরুর মাংস রপ্তানিতে ফের শীর্ষে ভারত

Cow
ট্রাকে করে রপ্তানি হচ্ছে গরু।

সারাবিশ্বে গরু ও মহিষের মাংস রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত। এই তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া।

মার্কিন কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২৪ লাখ টন গরু-মহিষের মাংস রপ্তানি করেছে ভারত। একই সময়ে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া যথাক্রমে ২০ লাখ টন এবং ১৫ লাখ টন মাংস রপ্তানি করেছে। বিশ্বে মোট চাহিদার ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ মাংস যৌথভাবে রপ্তানি করে এই তিনটি দেশ।

Cow
ট্রাকে করে রপ্তানি করা হচ্ছে গরু।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিশ্বের মোট চাহিদার ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ গরু-মহিষের মাংস রপ্তানি করেছে ভারত। আগের অর্থবছরের মোট চাহিদার ২০ দশমিক ৮ শতাংশ মাংস রপ্তানি করেছিল দেশটি।

সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারত মূলত মহিষের মাংস রপ্তানি করে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই মাংস রপ্তানি করে ভারত। এশিয়ার ৮০ শতাংশ এবং আফ্রিকা মহাদেশের ১৫ শতাংশ মাংসের চাহিদা মেটায় ভারত। এর মধ্যে ভারতের অন্যতম প্রধান ক্রেতা ভিয়েতনাম। এশিয়ার এই দেশটির তাদের চাহিদার ৪৫ শতাংই ভারত থেকে আমদানি করে।

২০১১ সালের পর থেকে প্রতিবছরই মহিষের মাংস রপ্তানি গড়ে ১৪ শতাংশ করে বাড়িয়েছে ভারত। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে মাংস রপ্তানিতে ৪৮০ কোটি মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছিল দেশটি। গত বছর প্রথমবারের মতো বাসমতি চালের চেয়ে গরুর মাংস বেশি রপ্তানি করেছে ভারত। অর্থাৎ সম্প্রতি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গরুর মাংসের ভূমিকা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের ২৯টি রাজ্যের মধ্যে অরুণাচল, কেরালা, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম, ত্রিপুরা ছাড়া বাকি সবগুলো রাজ্যে গরু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সনদ সাপেক্ষে তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে গরু জবাই করা যায়।

ই.রা/