অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেন রকিবুর রহমান

rakibur rahman
ডিএসইর সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান

rakibur rahman
ডিএসইর সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান

পুঁজিবাজারের ১৯৯৬ সালে কেলেঙ্কারির মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান। একই মামলায় জামিন পেয়েছে বুলবুল সিকিউরিটিজের মালিক এ এস শহিদুল হক বুলবুল।

রোববার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ন কবির তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আগামী ১৬ আগস্ট পর্যন্ত তারা জামিনে থাকবেন। ওই দিন বিকেল ৩টায় এই মামলার জবানবন্দী নেওয়া হবে।

চিটাগাং সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (বর্তমানে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট লিমিটেড) এই মামলায় আসামী হলেন- রকিবুর রহমান, এ এস শহিদুল হক ও টিকে গ্রুপের আবু তৈয়ব। আবু তৈয়ব দেশের বাইরে থাকায় আদালতে আসতে পারেননি। আগামী ১৬ আগস্ট তাকে আদালতে উপস্থিত থাকতে কথা বলা হয়েছে।

রকিবুর রহমান, এ এস শহিদুল হক ও আবু তৈয়ব ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটির পরিচালক ছিলেন।

রোববার আরও দুইটি মামলার কার্যক্রম চলে। এর একটি হচ্ছে প্যারাগন লেদার ইন্ডাস্ট্রিজের জাল শেয়ার জামানত রেখে ঋণ নেওয়া। এ মামলায় বাদী ও বিবাদী-উভয়ের প্রস্তুতির ঘাটতি থাকায় তাদের আবেদনের ভিত্তিতে শুনানির জন্য ১৩ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে প্লেসমেন্ট শেয়ার সংক্রান্ত একটি মামলায় আসামীকে আদালত জামিন দিয়েছে।

প্যারাগন লেদারের ভূয়া সার্টিফিকেট শেয়ারের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী ১৩ আগস্ট তারিখ নির্ধারন করেছেন আদালত। রোববার বাদি ও বিবাদি কোন পক্ষই মামলা পরিচালনা করার জন্য প্রস্তুত না থাকায় সময় চায় আদালতের কাছে। আদালত তা বিবেচনা করে জবানবন্দির জন্য আগামী ১৩ আগস্ট তারিখ নির্ধারন করেন।

জানা যায়, প্যারাগন লেদারের ১৭ জন কর্মকর্তা ভূয়া শেয়ার সার্টিফিকেট জামানত রেখে ২০০১ সালে ব্যাংক থেকে প্রত্যেকে ২০ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেয়। এদের মধ্যে রয়েছেন এম.এ সালাম, আবুল কালাম আজাদ, নূর মোহাম্মদ, আব্দুল সালাম, এস.এস জুনায়েদ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাসিবুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারী মামলায় আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করে। আদালত তা বিবেচনা করে মঞ্জুর করে। এই বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেছে ১৬ আগস্ট। আর প্যারাগন লেদারের মামলায় বাদি এবং বিবাদি কোন পক্ষই প্রস্তুত না থাকায় সময় চাইলে আদালত তা বিবেচনা করে আগামী ১৩ আগস্ট পরবর্তী তারিখ নির্ধারন করে।

এদিকে প্লেসমেন্ট শেয়ার কেলেঙ্কারীর আরেক মামলায় সাত্তারুজ্জামান শামীমকে জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার আসামীপক্ষ জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এ ছাড়া পরবর্তী বিচার কার্যক্রমের জন্য ১৬ আগস্ট তারিখ নির্ধারন করেছেন।

২০১০ সালের প্লেসমেন্ট কেলেঙ্কারির ওই মামলার আসামী সাত্তারুজ্জামান শামীম, প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী ও গ্রীণবাংলা কমিউনিকেশন। ওই সময় আরএকে সিরামিকস, গ্রামীণফোনসহ অনেক কোম্পানির শেয়ার প্লেসমেন্টের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ উঠে তাদের বিরুদ্ধে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাসিবুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, প্লেসমেন্টের শেয়ার নিয়ে অনিয়ম করায় তাদের নামে ২০১০ সালে মামলা হয়। আজকে আদালতে আসামীপক্ষ জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তা মঞ্জুর করেছেন।

 অর্থসূচক/জিইউ