দাম বেড়েছে গুড় ও নারকেলের

0
320
নারকেল-গুড়

নারকেল-গুড়শীতকালে পিঠার প্রধান উপকরণ গুড় ও নারকেল। রাজধানীর বাজারে পিঠা তৈরির এসব উপকরণের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু বেশি বলে জানায় বিক্রেতারা।

রাজধানীর কাপ্তান ও ঠাটারী, ফকিরাপুল, মতিঝিল এজিবি কলোণী, শান্তিনগর, মালিবাগ ও যাত্রাবাড়ী বাজার ঘুরে দেখা গেছে  প্রতিকেজি  পাটা খেজুর গুড় ২০০ টাকা, প্লেট খেজুর গুড় ১২০ টাকা, মুর্চি খেজুর গুড় ১১০ থেকে ১২০ টাকা, পাটালী খেজুর গুড় ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং তরল খেজুরের গুড় ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পিঠা তৈরির অন্যতম উপকরণ বড় সাইজের নারকেল  বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, ছোট সাইজ পাবেন ৪০ টাকা  প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও চাল ভাঙানোর মেশিনের দোকান থেকে  কিনতে পারেন চালের গুড়া। প্রতিকেজি চালের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

নারিকেল ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বাজারে সব কিছুর দাম বাড়ছে। সেজন্য বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখেই আমরা নারকেল বিক্রি করতে হচ্ছে।

বেচা বিক্রি কেমন হচ্ছে এ কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগের মতো মানুষ আর পিঠা পায়েস খায়না। এ কারণে বেচা-বিক্রিও কম।  শুধু এ ব্যবসায় সংসার চলে না তাই এর পাশাপাশি অন্য ব্যবসা করি।

গুড় কিনতে আসা নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় নারকেল-গুড়ের দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।

আজকের বাজার চিত্রঃ

কাঁচাবাজারঃ

কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি শসা ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, লম্বা বেগুন  ৩০ টাকা, গোল বেগুন ৩০ টাকা, তাল বেগুন ৩০ টাকা,  শিম ২০ থেকে ৩৫ টাকা, ঝিঙ্গা  ৮০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, পুরাতন আলু ১৫ টাকা, নতুন আলু ১০ টাকা, গাজর  ২৫ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, পেঁপে  ২০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, হাইব্রিড টমেটো ২০ টাকা, দেশি টমেটো ৩০ টাকা, কাঁচা টমেটো ২৫ টাকা, ওলকপি ১৫ টাকা, শালগম ৩০ টাকা, ক্যাপসিক্যাম ২৫০ টাকা ও মটরশুঁটি  ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, প্রতিটি ফুলকপি ২০ টাকা, ব্রকলি (সবুজ ফুলকপি) ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২৫ টাকা, লাল বাঁধাকপি ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৮০ থেকে ১২০ টাকা ও লাউ ৬০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিহালি কাঁচকলা ২৫ টাকা ও লেবু ২০ থেকে টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, বাজারে লালশাক, লাউশাক, পালংশাক, মুলাশাক, কুমড়াশাক, ডাটাশাকসহ নানা ধরনের শাকের আটি ১০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবং লেটুস পাতা প্রতিটি ২০ টাকা, চায়নাশাক ২০ টাকা, পুদিনাপাতা ১০০ গ্রাম ২৫ টাকা, ধনেপাতা প্রতি ১০০ গ্রাম ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদিঃ

মুদি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি নতুন পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৩০ টাকা, চায়না বড় রসুন ৭০ টাকা, দেশি রসুন ৯০ টাকা, একদানা রসুন ১০০ টাকা, চায়না আদা ১৬০ টাকা, দেশি আদা ১৪০ টাকা, ইন্দোনেশিয়ান আদা ১২০ টাকা, শুকনা মরিচ ১৮০ টাকা, হলুদ ১২০ টাকা, হলুদের গুঁড়া ১৮০ টাকা, মরিচের গুঁড়া ২২০ টাকা, ধনিয়া ৮৫ টাকা, আটা (প্যাকেট) ৩৮ টাকা, ময়দা (প্যাকেটট) ৪৮ টাকা, দারুচিনি ৩০০ টাকা, এলাচি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, জিরা ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, বেশন ৯০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১২৫ টাকা, ভারতীয় মশুর ডাল ৮০ টাকা, খেসারি ডাল ৪৫ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪২ টাকা, মাসকলাই ১২০ টাকা, বুট ৫০ টাকা, খোলা চিনি ৪৫ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা ও প্রতি লিটার সয়াবিন খোলা ১১৫ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন ১২৫ টাকা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

চালঃ

আজ চালের বাজারে প্রতিকেজি নাজিরশাইল ৫৯ থেকে ৬০ টাকা, মিনিকেট ৪৮-৪৯ থেকে ৫০ টাকা, লতা আটাশ ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, মোটা চাল ৪২ টাকা, জিরা নাজির ৫৫ টাকা, আটাশ ৪২ টাকা, পাইজাম ৪০ টাকা, চিনি গুড়া ১১০ টাকা, পারিজা ৩৮ টাকা, বিআর-২৮ ৪৩ টাকা, বিআর-২৯ ৪৩ টাকা, হাসকি ৪২ টাকা, স্বর্ণা ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমঃ

আজকে বাজারে প্রতি হালি লেয়ার মুরগির লাল ও সাদা ডিম ২৮ টাকা, হাঁসের ডিম ২ টাকা কমে ৩৮ টাকা, পাকিস্তানি মুরগির ডিম ৪০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছঃ

দেশি আইর মাছ ৩০০ টাকা, বাইম ৪০০ টাকা, ফলুই ৩৫০ টাকা, গুলশা ৩৫০ টাকা, কাইবা ২৫০ টাকা, পাবদা ৬০০ টাকা, কাজুলি ৩০০ টাকা, পুটি ৩০০ টাকা বেলে ৩৫০ টাকা, মেনি ৪০০ টাকা, দেশি কই ৩০০ থেকে ৯০০ টাকা, দেশি শিং ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, টাকি ২৫০ টাকা, গজাল ৪০০ টাকা, মাগুর ৫০০ টাকা, ভেদা ৩০০ টাকা, মলাঢেলা ২০০ টাকা, কাচকি মাছ ২৫০ টাকা, সুরমা মাছ ১৬০ টাকা শোল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরে।

তাছাড়া, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের বেশি প্রতিহালি ইলিশ ২ হাজার টাকা। জাটকা ইলিশ ৩০০ টাকা, চন্দনা ইলিশ ১৫০ টাকা, কাতল মাছ ৩০০ টাকা, রুই মাছ ২৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ টাকা, চায়না পুটি ১২০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০ টাকা, চিংড়ি (বড়) ১ হাজার ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুঁটকি মাছঃ

শুঁটকি মাছ প্রতি ১০০ গ্রাম চিংড়ি শুঁটকি মানভেদে ৩০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, টাকি ৬০ টাকা, কাচকি ৬০ টাকা, লইট্যা শুটকি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাইম মাছের শুঁটকি ৮০ টাকা, চাপিলা শুটকি ৬০ টাকা, পুঁটি মাছের শুঁটকি ৬০ টাকা, নলা মাছের শুঁটকি ৬০ টাকা, চান্দা মাছের শুঁটকি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি ইলিশ মাছের শুঁটকি ৭০০ টাকা ও কাইলা শুঁটকি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসঃ

মাংসের বাজারে গরুর মাংস ২৫০ টাকা, খাসির মাংস ৪৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের প্রতিটি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২৫ থেকে ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা টাকা, লেয়ার মুরগি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, হাঁস ৩০০ টাকা, ভেড়া ও ছাগীর মাংস ৪৫০ টাকা এবং কবুতরের বাচ্চা ২৫০ টাকা জোড়া হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

ফলঃ

আজ ফলের বাজারে আপেল ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, মালটা ১৫০ টাকা, আঙুর ৪৫০ টাকা ও প্রতি ডজন কমলা ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বেদানা ২৫০ টাকা, পেয়ারা ১৫০ টাকা, আমড়া ১২০ টাকা, আমলকি ১৫০ টাকা, ছবেদা ৮০ টাকা ও জলপাই ৪০ টাকা, কুল বড়ুই ১২০ টাকা, আপেল বড়ই ১২০ টাকা, বাউ কুল ৭০ টাকা, টক বড়ুই ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে

এছাড়া, প্রতিহালি সাগর কলা ২৫ টাকা, নেপালি কলা ১৫ টাকা, শবরী কলা ২৫ টাকা, চাপা কলা ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি জাম্বুরা ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, বেল ৮০ থেকে ১৫০ টাকা এবং  আনারস প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অর্থসূচক.কম/এসএস