বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য সিআইবির প্রস্তাব করেছে বিএমবিএ

0
88
leaders of bmba met with bsec

leaders of bmba met with bsec পুঁজিবাজারে ঋণ-গ্রহীতা বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য সিআইবি রিপোর্টের প্রথা চালুর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ারে বিনিয়োগের জন্য এক কোটি টাকার বেশি ঋণ নেয় তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে এ প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি। সংগঠনের সভাপতি তানজিল চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএমবিএ’র একটি প্রতিনিধি দল বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাত করে সিআইবিসহ এক গুচ্ছ প্রস্তাব জমা দেয়।

বিএমবিএর প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে সিআইবি বা এ ধরনের কোনো পদ্ধতি না থাকায় খেলাপী ঋণ গ্রহীতাদের সামলানো কঠিন। একটি মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারহাউজে তারা খেলাপী হয়ে পড়লে অন্য মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারহাউজে গিয়ে নতুন হিসাব খোলে। এ অবস্থায় খেলাপী গ্রাহকদের কাছ থেকে ঋণ আদায় করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এ বিনিয়োগকারীদেরকেও সিআইবির আওতায় নিয়ে যাওয়া  এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাটাবেজে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজের প্রবেশাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ, সিআইবি হচ্ছে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো’র সংক্ষিপ্ত রূপ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিভাগটি ঋণ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে। বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতাদের হালনাগাদ তথ্য থাকে এ বিভাগে। একজন ব্যাক্তি ঋণ খেলাপী কি-না তা এ বিভাগ থেকে জানা যায়। বিদ্যমান বিধি অনুসারে কোনো ঋণ খেলাপী ব্যাক্তি নতুন করে ঋণ পেতে পারে না। তাই যে কোনো ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের আগে সিআইবি থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়।

মার্জিন ঋণের অনুপাত বিষয়েও কিছু প্রস্তাব করেছে বিএমবিএ। এতে ঋণাত্মক ইক্যুইটির হিসাবগুলোর ক্ষেত্রে শতভাগ আর্থিক সমন্বয় সুবিধা (নেটিং) দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এর পেছনে সংগঠনের যুক্তি-বাজারে বড় ধসের কারণে বিনিয়োগের বিপরীতে ইক্যুটি পাঁচ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের এ সুযোগ দেওয়া উচিত।  ইক্যুইটি ডেট রেশিও ৫০ এর কম এমন বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্র শেয়ার বিক্রি মূল্যের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।