বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে ৩৫ কোটি টাকার পণ্য আমদানি

Port container
কন্টেনার-ফাইল ছবি

Port_containerবন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে আনা ১৭ কোটি টাকা মূল্যের সাত কন্টেইনার ফেব্রিক্সের চালান উদ্ধার করেছে শুল্ক ও  তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। চট্টগ্রাম বন্দরের পাঁচ নম্বর ইয়ার্ডে মঙ্গলবার  দুপুরে কায়িক পরীক্ষার পর এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।  গত বছর ৩৫ কোটি টাকার  ১৪ টি কন্টেইনার পণ্য  বন্ড সুবিধা ব্যবহার করে আনা হয়েছে। এ চালানের একটি অংশ আজ পরীক্ষা করা হয়।

নগরীতে অবস্থিত একটি বন্ধ কারখানাসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে বন্ড সুবিধা ব্যবহার করে ১৪ টি কন্টেইনার করে ৩৫ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। বাকি সাতটি কন্টেইনার আগামি সপ্তাহে কায়িক পরীক্ষা  করা হবে বলে জানান শুল্ক ও গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মঈনুল খান।

উদ্ধার হওয়া ১৪টি কন্টেইনারের আমদানি করেন মুনস্টার গার্মেন্টস লিমিটেড ও অ্যাম্পল ফ্যাশন লিমিটেড ও চিটাগং ফ্যাশন স্পেশালাইজড লিমিটেড। তবে প্রতিষ্ঠান তিনটির কর্মকর্তারা তা অস্বীকার করছে।

মঈনুল খান বলেন, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা সাতটি কন্টেইনারে মোট ১৭ কোটি টাকার ফেব্রিক্স আনা হয়েছে । যা থেকে রাষ্ট্রকে ২০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালে আমদানি করেও কেন তা খালাশ করছে না সেই বিষয় খতিয়ে দেখতে গিয়ে এ বিষয়টি বেরিয়ে আসে। যেহেতু মুনস্টার তাদের কারখান দুই বছর আগেই বন্ধ করে দিয়েছে তাই তাদের বন্ড সুবিধা পাওয়ার কথা নয়।  এ চক্রটি বড় ধরনের চোরা চালান চক্রের সদস্য বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।