আদালতে ব্লগার রাজীব হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল

0
36
ব্লগার রাজিব হায়দার
ব্লগার রাজিব হায়দার (ফাইল ছবি)

ব্লগার রাজিব হায়দার শোভনব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভন হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে  উল্লেখ করা হয়, রাজিব হত্যাকাণ্ডে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসীমউদ্দিন ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থীসহ মোট আটজন সম্পৃক্ত রয়েছে।

মামলার বাদী ও নিহতের বাবা নিজামউদ্দিনসহ ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকজন, পুলিশ ও চিকিৎসক মিলিয়ে মোট ৫৫ জনকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে।

ডিবির (উত্তর) উপ কমিশনার মো. শেখ নাজমুল আলম জানান, রাজিব হত্যা মামলার তদন্তে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থী ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের  প্রধান মুফতি মুহাম্মদ জসীমউদ্দিন রাহমানীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। গ্রেপ্তার হওয়া নর্থ সাউথের সাত শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া তাদের জবানবন্দি এবং তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, জসীমউদ্দিনের বই পড়ে এবং সরাসরি তার বয়ান ও খুতবায় অংশ নিয়ে ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ খুন করতে তারা উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ব্লগার রাজীব খুন হন। মামলার অভিযোগপত্রে জসিমুদ্দিনকে ‘হত্যাকাণ্ডে অনুপ্রেরণাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হলেন নর্থ সাউথের শিক্ষার্থী রেদোয়ানুল আজাদ ওরফে রানা। তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞার উত্তর জয়লস্করে। বাবার নাম আবুল।

মামলার তদন্তকারী ডিবির পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, হত্যার আগে যে দোকান থেকে আসামিরা সিমকার্ড ও চাপাতি-ছুরি কিনেছিলেন, দোকান মালিকেরা এ বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।হত্যাকাণ্ডের ১১ মাসের মধ্যে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো।

উল্লেখ্য, ধর্মীয় অনূভুতি নিয়ে আপত্তিকর লেখালেখির কারনে গত ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবীর নিজ বাসার সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুঁপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভনকে।

এমআর/