তারেকের শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

0
70

iQbalঅবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শিগগীরই রাজধানীর বনানী থানা মামলাটি দায়ের করা হবে।

মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত বৈঠকে তার বিরুদ্ধে  বৈঠকে এ নন সাবমিশন মামলাটি দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানায় কমিশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি ইকবাল মান্দ বানুকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক।  তিনি ওই নোটিশের জবাব না দিয়ে হাইকোর্টের রিট পিটিশন (রিট পিটিশন নং-৯৭৮/২০১২) দায়ের করেন এবং স্থগিতাদেশ প্রাপ্ত হন। পরবর্তী সময়ে কমিশনের পক্ষে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বরাবর সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল করা হলে হাইকোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশ স্থগিত করা হয়।

২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারিখের ঔই আদেশে রিট পিটিশন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশ স্থগিত করা হয়। এরফলে ওই রিট সংশ্লিষ্ট দুদকের কার্যক্রম পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা না থাকায় তার সম্পদের তার সম্পদের অনুসন্ধান করে দুদক।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ২০০৭ সালের ২৯ মে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমানের দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে চার কোটি ২৩ লাখ আট হাজার ৫৬১ দশমিক ৩৭ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনসহ সর্বমোট ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ দশমিক ৩৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এতে তারেক রহমান তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের নামে  ৩৫ লাখ টাকার এফডিআর পাওয়া যায় বলে দাবি করেন। আর এ টাকা তার শাশুড়ী জোবায়দা রহমানকে দান করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে দুদকের তদন্তে ওই দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং জুবাইদা রহমান ও ইকবাল মান্দ বানু এর মাধ্যমে তারেক রহমানের অবৈধ আয়কে বৈধ করার অপচেষ্টায় সহায়তা করেছে মর্মে প্রমাণিত হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে মামলাটির চার্জশিট দাখিল করা হয়।

এর আগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারাসহ জরুরি ক্ষমতা বিধিমালা ১৫ (ঘ) ধারায় মামলা (মামলা নং-৫২) দায়ের করে দুদক।

দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, তারেক রহমানের মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থেই ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। তার বৈধ/অবৈধ সম্পদের হিসাব পাওয়া গেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়েরকৃত জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করাও সম্ভব হবে।

এইউ নয়ন