অ্যাংরি বার্ডস থেকে তথ্য চুরি এনএসএ’র

0
74
angry-birds-stone

angry-birds-stoneঅ্যাংরি বার্ডসসহ অন্যান্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে ব্যবহারকারিদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ)’র সাবেক সদস্য এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা ডকুমেন্টের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসএর নজরদারি থেকে বাদ যায়নি অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারিরাও। ২০০৭ সাল থেকে এনএসএ ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউ মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারিদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের জন্য একসাথে কাজ করছে। এতে আরও বলা হয়, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে লোকেশন, ওয়েবসাইট ও যোগাযোগ নম্বরের তথ্য সংগ্রহ করছে এনএসএ।

অ্যাংগ্রি বার্ড গেমের প্রস্তুতকারী রোভিও  অবশ্য  নজরদারী সংস্থার সাথে তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রোভিও জানিয়েছেন, যৌক্তিক কোন লক্ষ্যবস্তু ছাড়া মার্কিনীদের সোশ্যাল মিডিয়া বা স্মার্টফোন থেকে তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ সঠিক নয়। তাছাড়া অ্যাংগ্রি বার্ড খেলা, গেমের উন্নতির সাথে জড়িত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে এনএসএ।

প্রসঙ্গত, নজরদারি করার ব্যাপারে সোমবার মার্কিন সরকার  ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর কোম্পানিগুলোর সাথে এক চুক্তি করেছে। প্রাথমিকভাবে গুগল, মাইক্রোসফট, ইয়াহু, ফেইসবুক ও লিঙ্কডইনের সাথে এই চুক্তি হয়েছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তথ্য প্রকাশ করার আগে কোম্পানিগুলোকে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে।

এর আগে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্লেন ভ্রমন, নেটওয়ার্ক যোগাযোগ , আর্থিক লেনদেন ডাটাভিত্তিক তথ্যর ওপর  সারা বিশ্ব থেকে একদিনে প্রায় ২০ কোটির মতো বার্তা চুরি করে তা সংরক্ষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ)

তবে এনএসএ দাবি করে  এই তথ্য চুরি করা হয়নি। এনএসএ কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে এই ডাটা সংগ্রহ করে না, আইনসম্মত ভাবে তারা এই এসএমএস তথ্য সংগ্রহ করে।

এস রহমান/