নির্ভরযোগ্য সেবাপ্রতিষ্ঠান ঝিনাইদহের চক্ষু হাসপাতাল

0
242
Jhenaidah-I-Hospital

Jhenaidah-I-Hospitalনির্ভরযোগ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহের চক্ষু হাসপাতাল। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমুল্যে জটিল অপারেশন ও চক্ষুরোগীদের সেবাদানের ফলে ঝিনাইদহ ছাড়াও আশপাশের জেলার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে এই হাসপাতালটি।

সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঝিনাইদহ শহরে প্রতিষ্ঠিত খুলনা বিভাগের একমাত্র চক্ষু হাসপাতালটি এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। অসহায় ও হতদরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশনসহ নানা ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এই হাসপাতালটিতে ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে ঝিনাইদহ শহরের ধানহাড়িয়া মৌজায় দেড় একর জমির ওপর এই হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়। হাসপাতালটিকে বর্তমান দুই জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ ৩৫ জন কর্মচারী রয়েছে।

প্রতিমাসে কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হয় প্রায় ৪ লাখ টাকা। ডাক্তার এবং কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও বাজারের দায়দেনা পরিশোধ করেও ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটির প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ফান্ড গড়ে উঠেছে।

চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন প্রতিষ্ঠাকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তার অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাসপাতালটি হাজার হাজার টাকা দেনায় জড়িয়ে পড়ে। সে সময় আয় থাকলেও সকল কর্মচারীদের মাত্র ৭০ হাজার টাকার বেতন দিতে পারেনি প্রশাসন । এখনও হাসপাতালের লিফট অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

কিন্তু ২০০৫ সালের শেষের দিকে চক্ষু হাসপাতালের চিত্র পাল্টে যেতে থাকে। তিল তিল করে গড়ে ওঠে চক্ষু হাসপাতালে রিজার্ভ ফান্ড। লাভের মুখ দেখে হাসপাতালটি। বাজারের দেনা পরিশোধ হয়। বেতন বাড়ানো হয় কর্মকর্তা কর্মচারীদের।

হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিলন হোসেন জানান, এখন চক্ষু হাসপাতালের সব কর্মকর্তা কর্মচারী সরকারি বেতন স্কেলে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন। তিনি বলেন, হাসপাতাল পরিচালনা কমিটি ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের আন্তরিকতার কারণে আজকের এই ভালো অবস্থান তৈরি হয়েছে।

মিলন আরও জানান, প্রতিদিন ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালে দু’শ রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতি মাসে চোখের নানা ধরনের অপারেশন করা হয় দেড় শ রোগীর। এখানে মাত্র ৩ হাজার টাকায় চোখের অপারেশন করা হয়। বাইরে এ ধরণের অপারশেন করতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হতো বলে মিলন জানান।

কেএফ