খুলনায় উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে সরব আ.লীগ-বিএনপি

0
116
BNP+AL

BNP+ALখুলনায় উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে সরব আ.লীগ-বিএনপি। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস-আদালত এমনকি মাঠে-ঘাটে সব জায়গায় আলোচনা চলছে এ নির্বাচন নিয়ে। প্রথম দফায় তফসিল ঘোষণার পর খুলনার দু’টি উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে কয়রা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। দীঘলিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
দু’টি উপজেলাতেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। আছে জামায়াত, জাতীয় পার্টি ও সিপিবির প্রার্থী। এর মধ্যে কয়রা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৫ জন, বিএনপির ২ এবং জামায়াতের ১ জন প্রার্থী রয়েছেন। দীঘলিয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই জন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন।
দীঘলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নুরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা গাজী সেলিম আকতার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মল্লিক।
দীঘলিয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, আওয়ামী লীগের গাজী আজগর হোসেন ও তৌহিদ মিয়া, জাতীয় পার্টির শেখ আবুল কাশেম, সিপিবির শেখ আতিয়ার রহমান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কোহিনুর বেগম ও আওয়ামী লীগের রোকসানা পারভীন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
কয়রায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোমরেজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সরদার মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  জি এম মহসীন রেজা, আলীগ নেতা মোস্তফা রফিকুল ইসলাম, কেরামত আলী, এস এম শফিকুল ইসলাম ও আবদুস সাত্তার পাড় এবং জামায়াতের দক্ষিণ জেলা আমির আবুল খায়ের মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের গাজী আবদুল হক, অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন ও এস এম আবদুর রাজ্জাক, বিএনপির শেখ আবদুর রশীদ, জামায়াতের অ্যাভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ও স্বতন্ত্র বিজন কুমার এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের হাসিনা বেগম, রেহেনা পারভীন ও নিলিমা চক্রবর্তী, বিএনপির সুরাইয়া বেগম এবং জামায়াতে ইসলামীর খালেদা আকতার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই দুই উপজেলার আলীগ-বিএনপির উভয় দলের একাধিক নেতা ও সর্মথক মনোনয়নপত্র জমা দিলেও অনেকেই দল থেকে চূড়ান্ত ঘোষণা পায়নি, যে কারণে এসব প্রার্থীরা দলের সাপোর্ট নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত ধরনা দিচ্ছেন। জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে দ্বারে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করেন এই দুই উপজেলা বরাবরের মত আ’লীগ বিএনপির মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কশিমন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি জেলার দিঘলিয়া ও কয়রা উপজেলায় নির্বাচন হবে।

এআর