রপ্তানি চাঙ্গা করা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

0
91
green banking
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান
governor_bb
বাংলদেম ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান

তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঘোষণা করা হয়েছে চলতি বছরের দ্বিতীয় অর্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি। লক্ষ্যগুলো হচ্ছে-রপ্তানি খাত চাঙ্গা করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।
সোমবার বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় সব ডেপুটি গভর্নর ও সংশ্লিষ্ট নির্বাহী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

অভ্যন্তরীণ ও বিশ্ব অর্থনীতির গতিধারার চলমান প্রেক্ষাপটে দেশে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি পরিমিত ও স্থিতিশীল রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি ভঙ্গির আগাম ধারণা দেবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ষান্মাসিক ভিত্তিতে এই মুদ্রানীতি ঘোষণাপত্র প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।

নতুন মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে আটকে রাখার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। এ কারণে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ১৯ শতাংশ থেকে ১৮ দশিমক ৬ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছ। তবে ব্যাপক মুদ্রার সরবরাহ ও বেসরকারি খাতে ঋণ যোগানের প্রবৃদ্ধির হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আগের ছয় মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহের প্রবৃদ্ধি ১৭ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতে ঋণ যোগানের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। এ লক্ষ্যমাত্রা আগের ছয় মাসের প্রকৃত প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি। তাই একে পর্যাপ্ত মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ে গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ব্যাপক মুদ্রার সরবরাহ ও বেসরকারি খাতে ঋণের যোগানের এ লক্ষ্যমাত্রা যে কোনো বাস্তবানুগ উচ্চতর মাত্রা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত হবে।

তিনি এসময় বলেন,  অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি জোরদার করে দ্রুত দারিদ্র্য মোচন ও সমৃদ্ধির সোপানে উত্তরণের জন্য আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সৃজনশীল উদ্যোগী প্রবণতা জেগেছে তা সাময়িক বিপর্যয় বা বৈরী পরিস্থিতি দ্বারা দিকভ্রষ্ট হবে না।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিনিয়োগবান্ধব, সতর্ক এই মুদ্রানীতির ভঙ্গিটি সুচারুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের আন্তরিক সহযোগিতা ও অঙ্গীকার কামনা করছি।