যাদের দিল মে ‘হিন্দুস্তান’ তাদের ভারত যেতে বলেনি বিএনপি

0
32
ripon

riponবিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, যাদের দিল মে ‘হিন্দুস্তান’ তাদের কে তো আমরা ভারত চলে যেতে বলিনি। তবে বিএনপি চেয়ারপার্সন কেন পাকিস্তানে  যাবেন?

রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপির  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে করা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপাসর্নকে পাকিস্থানে যেতে বলায় শেখ হাসিনার কড়া সমালোচনা করে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন কেন পাকিস্তানে  যাবেন? তিনি এদেশের নাগরিক। তার স্বামী স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছেন। তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দুইবার ছিলেন বিরোধী দলীয় নেত্রী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বরেন,  যাদের দিল মে ‘হিন্দুস্তান’ তাদের আমরা ভারত চলে যেতে বলছি না। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) বাংলাদেশেই থাকুন। কিন্তু মানুষকে একটু শান্তিতে থাকতে দিন। গণতন্ত্র বিপন্ন করবেন না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতকে অনেক কিছু দিয়েছেন। কিন্তু তিনি ভারত থেকে কোনো কিছু নিয়ে আসতে পারেন নি। তিস্তা চুক্তিসহ কোনো চুক্তিই সফলতার মুখ দেখেনি।’

এসময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে সরে এসে দেশের জনগনকে শান্তি দিন। বিএনপি চেয়ারপারসনকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে কথা বলেন সেটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে না, গণতন্ত্রের ভাষাও সেটি নয়।

ক্রিকেট প্রসঙ্গে ক্রীড়ামন্ত্রীর জবাবদিহিতার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়ে যে বিতর্ক উঠেছে এ ব্যাপারে সরকার ও ক্রীড়ামন্ত্রীর ব্যাখ্যা চাচ্ছি। পাশাপাশি ক্রিকেট নিয়ে ক্রিকেট প্রেমীদের বর্তমান দাবির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি।

যৌথবাহিনী যেভাবে অভিযান পরিচালনা করছে তা ভালো সংস্কৃতি নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য ভূমিকা রাখবে। কিন্তু তাদের অভিযানে সরকারি দলের লোকজন সঙ্গে থাকে। এটা কীসের অভিযান।’

সরকার রাজনীতি থেকে বিএনপিকে মাইনাস করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে সরকারের প্রতি এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন,  ‘আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মী ছাড়াও অজ্ঞাত লাশ পাওয়া যাচ্ছে। এসব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে দেশ বিদেশের মানবাধিকার সংস্থার তদন্ত করা জরুরি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, দলের সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, শামীমুর রহমান শামীম, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম, রফিক শিকদার প্রমুখ ।

এমআর/