বন্ধ গণমাধ্যম খুলে না দিলে হাসিনার পরিণতি হবে ভয়াবহ: রুহুল আমিন

Ruhul Amin Gazi

Ruhul Amin Gaziবন্ধ গণমাধ্যমগুলো খুলে দেওয়া না হলে হাসিনা সরকারের পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী।

মঙ্গলাবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেওয়ার দাবিতে বিএফইউজে ও ডিইউজে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারী প্রদান করেন।

রুহুল আমিন বলেন, বর্তমানে হাসিনা সরকার জনগণের রক্তের হুলি খেলায় মেতে উঠেছে। এই সরকারের পরিণতি আইয়ূব খান, ই্য়াহিয়া খান ও স্বৈরাচারী এরশাদের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হবে। অতীতে যারা স্বৈরাচারী করেছে তাদের সবারই পরিণতি খারাপ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাসিনাকেও ওইসব নেতাদের পরিণতি বরণ করতে হবে আর তা অতি সন্নিকটে।

সরকারকে গণমাধ্যম বিরোধী সরকার আখ্যায়িত করে গাজী বলেন, শেখ হাসিনাকে হটাতে না পারলে গণমাধ্যমের মুক্তি মিলবে না। তাই হাসিনা সরকারের পতন ছাড়া সাংবাদিকরা ঘরে ফিরে যাবে না।

সরকারকে হুমকি দিয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি আবদুল হাই সিকদার বলেন, আওয়ামী লীগের কারণে বার্ন ইউনিটে শত শত মানুষ আর্তনাদ করছে। তাই আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের সব জায়গাকে বার্ন ইউনিটে পরিণত করতে হবে।

এই সরকারের কাছে মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাওয়া বোকামি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই সরকারকে গদি থেকে নামিয়েই মাহমুদুর রহমানকে মুক্ত করবো। আর তাকে বরণ করার জন্য আমরা বিশাল সমাবেশও করবো।

১৬ ডিসেম্বরের আগেই সকল গণমাধ্যম খুলে যাবে এমনটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যম খুলতে আমরা এমন আন্দোলনে যাবো, যাতে সরকারের ঘুম হারাম হয়ে যায়। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সরকার তখন দিশেহারা হয়ে পড়বে।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সাংবাদিকরা। মিছিলটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ার ঘুরে আবার প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ডিইউজের সাধারণ-সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, প্রেসক্লারের সাধারণ-সম্পাদক সৈয়দ আবদাল হোসেন, ডিআরইউর সাধারণ-সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।

জেইউ/এএস