ডিসেম্বরে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি উভয়ই বেড়েছে

0
73

lcসদ্য সমাপ্ত ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে একই বছরের আগের মাস (নভেম্বর) এবং আগের বছরের (২০১২) আলোচ্য সময়ের তুলনায় পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার হার বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে বেড়েছে ঋণপত্র নিষ্পত্তির হারও।

ডিসেম্বর ভিত্তিক ঋণপত্রের প্রতিবেদনে দেখা যায় ডিসেম্বরে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার হার নভেম্বরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়েছে। আর ২০১২ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় আলোচ্য সময়ে ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে ২১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

একই ভাবে ডিসেম্বরে ঋণপত্র নিস্পত্তির হার গতবছরের একই সময়ের তুলনায়  বেড়েছে ২০ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং নভেম্বরের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে চাল আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের। আর নভেম্বরে খোলা হয়েছিল এক কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। এ হিসেবে চালের জন্য ঋণপত্র খোলা বেশি হয়েছে ৭৫ লাখ ৭০ হাজার ডলারের।

তবে এ সময়ে পণ্যটির ঋণপত্র নিষ্পত্তি কমেছে। ডিসেম্বরে নিষ্পত্তি কমেছে ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলারের।

আলোচ্য সময়ে গম আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এ মাসে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ১০ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। আর ঋণপত্র নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৫ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের। যা নভেম্বরের তুলনায় খোলার ক্ষেত্রে ৫ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ৩ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার ডলার বেশি।

এ মাসে পরিশোধিত ভোজ্য তেল আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ডলারের আর নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। নভেম্বরের তুলনায় পরিশোধিত ভোজ্য তেলের ঋণপত্র খোলা বেশি হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের। আর নিষ্পত্তি বেড়েছে এক কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের। একই সময়ে অপরিশোধিত তেলের জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার ডলারের আর নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার ডলারের।

ডিসেম্বরে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার ডলারের আর নিষ্পত্তি করা হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার ডলারের। নভেম্বরের তুলনায় বেশি খোলা হয়েছে ৯৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ২ লাখ ২০ হাজার ডলার।

নভেম্বর মাসে অপরিশোধিত চিনি ও ডাল আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমাণ বেশি হওয়ায় ডিসেম্বরে এ দুটি পণ্যের ঋণপত্র খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমাণ কমেছে।