অভিযান অব্যাহত, মানছেন না দোকানিরা

0
74

mallaইপিবির অভিযান অব্যাহত, তবে মানছেন না দোকানিরা। বাণিজ্য মেলায় অনুমোদনহীন কয়েকটি খাবারের দোকানে দেদারসে বিক্রি চলছে  লোকাল খাবার। গত কয়েকদিন ধরে এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হলেও এতে কোনো তোয়াক্কা করছেন না ব্যবসায়ীরা।

আর এসব খাবারে দামও আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ। মেলায় আসা অসংখ্য ক্রেতা-দর্শনার্থী প্রতিদিনই খাবারের দাম নিয়ে বিক্রেতাদের সাথে বাগ্বিতণ্ডা করে। কখনও কখনও বিক্রেতারা ক্রেতাদের অপমান করেও কথা বলতে দেখা গেছে।  নিরুপায় হয়ে ক্রেতাদের তা সহ্য করে হয় খাবার কিনতে না হয় অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে চলে যেতে হয়।

কাজীপাড়া থেকে মেলায় আসা শিউলি ও তার বয় ফেন্ড ফারুক এসেছে মেলায় ঘুরতে। তারা ছোট একটি স্টলে গিয়ে ৫ টা সিঙ্গারা খেলে তাদেরকে গুণতে হয় ৫০ টাকা। প্রতিটি সিঙ্গারার দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা করে। দাম নিয়ে দোকানদারের সাথে কথা কাটাকাটি হয় ফারুকের।

তখন ক্ষোভের সাথে তিনি বলেন, মেলায় ডাকাতি করার জন্য এরা দোকান করছে। এদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ নিরব।

মেলায় সিঙ্গারার দাম ১০ টাকা। অথচ রাজধানীর সব জাগায় প্রতিটি সিঙ্গারার দাম ৫ টাকা। এছাড়া মেলায় প্রতি গ্লাস ফিল্টারের পানির দাম নিচ্ছে ২ টাকা করে।

প্রতিদিনই ইপিবি কর্তৃপক্ষ এসব দোকানে অভিযান চালায়। কিন্তু অভিযানের ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই আবার খাবার তৈরি শুরু হয়। দামও আদায় করা হয় দ্বিগুণ।

অভিযানের ধারাবাহিকতায় কর্তৃপক্ষ আজও একটি অবৈধ দোকান বন্ধ করে দেয়। দোকানটি করা হয়েছে দিল্লি প্যাভিলিয়নের পাশে। এখানে ফুসকা ও চটপটি বিক্রি করা হয়। শনিবার মেলার সদস্য সচিব ড. বিকর্ণ কুমার ঘোস অভিযান চালিয়ে দোকান বন্ধ করে এর মালামাল জব্দ করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকর্ণ কুমার ঘোস বলেন, প্রতিদিন অভিযান চালাই। খবর পেলেই ছুটে যাই। তারপরও কেউ যদি নিয়ম ভঙ্গ করে খাবার বিক্রি কিংবা দ্বিগুণ দাম আদায় করে তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেইউ/