চাঙ্গা হয়ে উঠছে বন্দর নগরীর ব্যবসা বাণিজ্য

0
100
Container_Port
চট্টগ্রাম বন্দর (ফাইল ছবি)

Container_Portটানা হরতাল অবরোধে স্থবির হয়ে পড়ার পর গত দুই সপ্তাহে চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্যে ফিরে এসেছে চাঙ্গা ভাব। কারখানাগুলোতে একদিকে যেমন পুরোদমে চলছে উৎপাদন, অন্যদিকে এগুলোর ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়াও হয়ে এসেছে স্বাভাবিক। চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রমও এখন পুরোপুরি সচল।

জানা গেছে,ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হওয়ার অন্যতম সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে বিদেশী ক্রেতাদের আগমন বেড়ে যাওয়াকে।

যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রামের একটি ট্রাভেল এজেন্সি জানায়,হরতাল অবরোধ কমে যাওয়ার পর চলতি সপ্তাহে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। একদিকে বিদেশিদের আগমন যেমন বেড়েছে, তেমনি দেশি পর্যটকদের বিদেশ ভ্রমণের হিড়িক পড়েছে।

এই পরিস্থিতিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি ভালো দিক হিসেবে দেখছে এজেন্সিটি।

এদিকে দেশের প্রধান বন্দর নগরীর ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী কারখানাগুলোতেও পুরোদমে শুরু হয়েছে উৎপাদন।

এ বিষয়ে দেশের একটি ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন,অচলাবস্থায় কেটে যাওয়ায় ভোগ্যপণ্য সরবরাহ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়েছে। এ অবস্থা ধরে রাখতে পারলে গত কয়েকমাসের অচলাবস্থার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

হরতাল অবরোধের সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে পণ্য আনা নেওয়া করা হতো। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মালামাল আনা নেওয়া করা যাচ্ছে।

এদিকে পরিবহণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যে এখন অনেকটাই রয়েছে সাধারণ মানুষের ক্রয় সীমার মধ্যে।

নগরীর খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারের বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হরতাল অবরোধে পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৃহৎ এই পাইকারি বাজারে ভোগ্যপণ্যের  দাম বেশ চড়া হয়েছিল। পেঁয়াজের দাম চলে গিয়েছিল সাধারণের ক্রয় সীমার বাইরে। চালের বাজারও চড়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পরিবহণ ভাড়া কমায় ভোগ্যপণ্যের দাম অনেকটাই স্বাভাবিক।