জুবায়ের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও জামিন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

0
90
JU

JUজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও জামিন বাতিলের দাবিতে ঢাকা জেলা দায়রা জজ আদালতের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জুবায়ের হত্যা মামলার শুনানি চলাকালে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ আদালতের সামনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ করে তারা।

সমাবেশে দ্রুত জুবায়ের হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা ও চার্জশিটভুক্ত ১৩ আসামির জামিন বাতিল করে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, আসামিরা জামিন পেয়ে স্বাক্ষী ও  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দিচ্ছে। একাধিক স্বাক্ষীর অর্থের বিনিময়ে আসামিদের পক্ষে সাক্ষ দেওয়ার কথাও বলেন তারা।

জুবায়ের হত্যাকাণ্ডের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন ও গার্ড সিদ্দিকুর রহমান অর্থের বিনিময়ে সাক্ষ দিয়েছেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। এ সময় তারা ওই দুই জনের বরখাস্তের দাবিও জানান।

এর আগে ১৯ জানুয়ারি সোমবার আদালতে শুনানিতে আসা জুবায়েরের বন্ধু রাজীব ও নাজমুলের ওপর হামলা চালায় হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত মামলার প্রধান সাত আসামি।

ওই দিন শুনানি শেষে হত্যাকাণ্ডের সময় কর্তব্যে অবহেলার দায়ে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন আদালত চত্বর থেকে রাজীব ও নাজমুলকে ডেকে রাস্তার পাশে নিয়ে যান। পরে হত্যামামলার প্রধান আসামি আশিক, রাজু, অরুপ, আকরাম ও সেতু তাদেরকে মারধর করে। এ সময় তারা আরও লাশ ফেলে দেওয়ার  হুমকি দেয়।

ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

হামলাকারীদের মধ্যে খন্দকার আশিকুর রহমান ও রাজু মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি। বাকিদের মধ্যে অরুপ, আকরাম ও সেতু হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও জামিন বাতিলের দাবিতে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লেলিন ইসলাম, রাইয়ান রাজি, রিয়াদ আরেফিন, সানিউজ্জামান পাভেলসহ  ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ এর নেতারা।

 

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৮ই জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি লীগ কর্মীদের হামলায় নিহত হন ইংরেজি বিভাগের ৩৭তম ব্যাচের ছাত্র জুবায়ের। হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন উপাচার্য শরীফ এনামুল কবির।

এসএসআর