৮২ বছরের বৃদ্ধার পেটে ৪০ বছরের ভ্রুণ

0
80

lithopedionতলপেটে ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন কলম্বিয়ার ৮২ বছরের এক বৃদ্ধা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর ডাক্তাররা যা শুনালেন তাতে তার চক্ষু চড়ক গাছ। নিজের অজান্তেই ৪০ বছর বয়স্ক এক ভ্রুণকে বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই ধরনের ভ্রুণকে বলা হয় লিথোপেডিওন। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।

ডাক্তারর জানান, প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ওই মহিলার তলপেটে ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা যাওয়ায় এক্সরে করানোর পর অস্বাভাবিক বস্তুর উপস্থিতি লক্ষ্য করেন তারা। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর তারা নিশ্চিত হন এটা লিথোপেডিওন।

লিথোপেডিওন অস্বাভাবিক নয়,তবে খুব কদাচিৎ এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে।

সাধারণত ভ্রুণ নিষিক্ত হওয়ার পর তা মায়ের গর্ভে স্বাভাবিক নিয়মে বেড়ে উঠে। পরবর্তীতে ভ্রুণ নষ্ট হয়ে গেলে মায়ের শরীর তা শোষণ করে নেয় কিংবা প্রাকৃতিক নিয়মে শরীরের বাইরে বের করে দেয়। কিন্তু কোনো কারণে তা শোষণ এবং বের করে দিতে না পারলে তা মহিলাদের তল পেটে লিথোপেডিওন হিসেবে অবস্থান করতে থাকে। সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এই ভ্রুণ ধরা পড়ে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পর তা এক্সরের মাধ্যমে দৃষ্টিগোচর হয়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই ঘটনা নতুন নয়। এর আগে এই ধরনের ৩০০ লিথোপেডিওন সনাক্ত করেছিলেন ডাক্তাররা।