ঢাকা কলেজ অর্থনীতি বিভাগের ব্যাপক সাফল্য

0
44
Dhaka-College

Dhaka-Collegeদিন দিন ভালো ফলাফলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ। বিশেষ করে, ব্যাপক সাফল্য দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির অর্থনীতি বিভাগের ফলাফলে।

২০১০ সালের মাস্টার্স পরীক্ষায় এ বিভাগে ১১০ জন পরীক্ষার্থী প্রথম শ্রেণীতে পাশ করেছেন। যা ২০০৯ সালের তুলনায় ১৬৮ শতাংশ ও ২০০৮ সালের  তুলনায় ১৮২ শতাংশ বেশি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রুটিন মাফিক পড়া লেখা, শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নিবিড় পরিচর্যা, ক্লাশে ছাত্রদের নিয়মিত অংশগ্রহণ, স্নেহ-মমতা দিয়ে ছাত্রদেরকে নিজেদের সন্তানের মতো করে গড়ে তোলার কারণেই দিন দিন এ বিভাগের ফলাফল ভালো হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বিভাগটির এই এ ফলাফলের জন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রধান থেকে সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং সামনের দিকে এ ধারা অব্যাহত রেখে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ২৬৩ জন পরীক্ষার্থী মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ৩৮ জন পেয়েছেন প্রথম শ্রেণী। ২০০৯ সালের পরীক্ষায় অংশ নেন ২৬৬ জন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণী পেয়েছেন ৪১ জন। সদ্য প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে ৩১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১০ জন পেয়েছেন প্রথম শ্রেণী।dhaka college

এ বিষয়ে মাস্টার্সের তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. নুর ইসলাম অর্থসূচককে বলেন, “আমরা সব সময় চাই ছাত্ররা ভালো কিছু করুক। এই চাওয়া থেকেই তাদেরকে আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। যার ফল হলো এবারের রেজাল্ট। যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আগামি দিনেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে, এ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রোকসানা আলম কাদেরী অর্থসূচককে বলেন, এই সফলতার পেছনে এ বিভাগের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অনেক বেশি। যার ফলে অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে এবারের ফলাফল।

আগামি দিনে বিজয়ের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আয়শা বেগম অর্থসূচককে বলেন, আমরা সব সময় চাই জাতির সামনে ভালো কিছু তুলে ধরতে। এজন্য শিক্ষক-ছাত্র সবাই উদ্যম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফল হলো এটি।

তিনি বলেন, “অর্থনীতি বিভাগের এ সফলতার জন্য আমি ছাত্র, শিক্ষক সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিবাদন জানাচ্ছি”।

আগামি দিনে যেন এই সুনাম ও খ্যাতি আরও বৃদ্ধি পায় সেজন্য এই প্রতিষ্ঠানকে মাদক ও অস্ত্রমুক্ত একটি আদর্শ বিদ্যাপিঠ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জিইউ/এআর