মিরপুরের সৌন্দর্য বাড়াতে শত কোটি টাকার প্রকল্প

0
43
আইসিসি টি-২০ লোগো

আইসিসি টি-২০ লোগোআসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে মিরপুরে শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের আশ-পাশের এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর জন্য হাতে নেওয়া হয়েছে  ‌ইম্প্রুভমেন্ট অব রোড ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড বিউটিফিকেশন ওয়ার্ক অ্যারাউন্ড মিরপুর শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম অ্যান্ড মেজর রোডস অব ঢাকা সিটি ফর আইসিসি ওয়াল্ড কাপ টি-২০ বাংলাদেশ শীর্ষক প্রকল্প। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১শ ১৫ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় স্টেডিয়ামের চারপাশের সড়কগুলো ছাড়াও রাজধানীর কয়েকটি প্রধান সড়ক মেরামত করা হবে। বিশেষ করে টুর্নানেমেন্টের জন্য আসা খেলোয়াড়, আইসিসি কর্মকর্তা ও বিদেশী সাংবাদিকদের যে সব সড়ক ব্যবহারের সম্ভাবনা আছে, সেগুলোর সংস্কার করা হবে।

রোববার অনুষ্ঠেয় প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)বৈঠকে এ প্রকল্পটি অনুমোদন পেতে পারে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অনুষ্ঠেয় একনেকের প্রথম বৈঠক এটি। এ বৈঠকে আলোচিত প্রকল্পটির বাইরে আরও ১২ টি প্রকল্প অনুমোদন পেতে পারে। সবগুলো প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৭শ ৩৫ কোটি।

আগামিকাল রোববার শেরে বাংলানগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে (২য় সংশোধিত) ৮শ ২৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় সরকারি খাত থেকে মেটানো হবে।

৪শ ২৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা অঙ্গ,কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পে। সরকারি খাত থেকে ১শ ৮ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে ৩শ ২৪ কোটি টাকা দিয়ে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হবে।

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্স প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ৫৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারি খাত থেকে ২শ ৬৩ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে ১হাজার ৭শ ৯১ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

সারা দেশে ১শ উপজেলা টেকনিক্যাল স্কুল (টিএস)প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯শ ২৪কোটি টাকা।

মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪শ ৭১ কোটি টাকা। সরকারি খাত থেকে ৫শ ১৭কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে ১হাজার ৯শ ৫৪ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সংস্কার (২য় সংশোধিত)একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩শ ১৫কোটি টাকা। সরকারিখাত থেকে ৭৮কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে ২শ ৩৭ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

মধুমতি নদীর ওপর কালনা সেতু নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২শ ৪৫কোটি টাকা।

কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ-মিঠামইন-সড়ক উন্নয়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে সরকারি তহবিল থেকে।

পত্নীতলা-সাপাহার-রহনপুর সড়ক উন্নয়নের প্রকল্পে ১শ ২৮কোটি টাকা  মোট ব্যয় ধরা হয়েছে। যা সরকারি খাত থেকে মেটানো হবে।

এছাড়া, ৩৩কোটি টাকা ব্যয়ে কানসাট-রহনপুর-ভোলাহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রকল্পটি সরকারি তহবিল থেকে করা হবে।

৫৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে শহীদ মনসুর আলী সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে। বিরুলিয়া-আশুলিয়া সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।

 

কবির/