বিমান দুর্ঘটনা কমলেও বেড়েছে প্রাণহানি

অর্থসূচক ডেস্ক

0
64
mh crash
mh-17
পূর্ব ইউক্রেনে বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার পর সেখানে অনুসন্ধান চালাতে দিচ্ছিল না রুশপন্থীরা- ফাইল ছবি।

বিমান শিল্পের গত এক দশকের ইতিহাসে ২০১৪ সাল সবচেয়ে ভয়াবহ। চলতি বছরের এই ১২ মাসে অন্য বছরের তুলনায় বিমান দুর্ঘটনা কমেছে; তবে প্রাণহানি বেড়েছে অনেক।

মঙ্গলবার এক খবরে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১ সহ এ বছরে মোট ১১১টি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছে ১২১২ জন।

প্রতিবেদন বলা হয়, ১৯৪৯ সালে বাণিজ্যিকভাবে বিমান সেবা শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয় ১৯৭২ সালে। সে বছর ৫২টি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২ হাজার ৪২৯ জন মারা যায়।

তবে ২০১৩ সাল ছিল বিমান শিল্পের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ বছর। এ বছরে সারাবিশ্বে বিমান দুঘর্টনায় ২৬৫ জন প্রাণ হারায়; যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো এক বছরের হিসেবে সবচেয়ে কম।

সর্বশেষ গত রোববার ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ারএশিয়ার একটি বিমান নিখোঁজ হয়। জানা গেছে, ১৬২ আরোহীবাহী বিমানটি জাভা সাগরেই বিধ্বস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখান থেকে ৪০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডেইলি মেইলের খবরে আরও বলা হয়, এ বছর বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের তালিকায় সবচেয়ে বড় যোগ করেছে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ৩৭০ফ্লাইট ও এমএইচ১৭ ফ্লাইট।

গত মার্চে ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে ভারত মহাসাগরের আকাশে হারিয়ে যায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ৩৭০ফ্লাইট। আর জুলাইতে ২৯৮ আরোহী নিয়ে ইউক্রেন সীমান্তে বিধ্বস্ত হয় একই কোম্পানির এমএইচ ১৭ ফ্লাইট। শুধু এ দুই দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৫৩৭ জন।

এছাড়া ২০১৪ সালে মালিতে এয়ার আলজেরিয়ার বিমান বিধ্বস্তে ১১৬ জন, তাইওয়ানে ট্রান্সএশিয়া এয়ারওয়ের বিমান বিধ্বস্তে ৪৯ জন নিহত হয়।

এস রহমান/