জিডিপিতে ব্যাংক খাতের অবদান ৫৫%

0
90
Atiur_rahman
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান- ফাইল ছবি
govornor_atiur_rahman
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান- ফাইল ছবি

দিন দিন বাড়ছে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি। আর এ ঋণ প্রবাহ জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে (জিডিপি) বাড়তি অবদান রাখছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে জিডিপিতে ব্যাংক খাতের অবদান ছিল ৪৬ শতাংশ। ২০১৩ সাল শেষে তা বেড়ে হয় ৫৫ শতাংশে।

শনিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইন্সস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এ ‘বার্ষিক ব্যাংকিং কনফারেন্স-২০১৪’ এ এ কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

আতিউর রহমান বলেন, ২০০৮-০৯ সালে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো মূলধারার অর্থনীতিতে অর্থায়ন করেছে। কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভূক্ত করে প্রকৃত অর্থনীতিতে অর্থায়ন করার চেষ্টা করেছি। এ কারণে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় বাংলাদেশে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নজরদারি ও ভূমিকার কারণে ব্যাংকিং খাতের কিছু  বড় অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে খাতটিকে দ্রুত আধুনিকায়ন করার ফলে। এখন অনলাইনে টাকা ট্রান্সফার, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, অনলাইনে ঋণের তথ্য ও তদারকি সহজতর হয়ে পড়েছে।

এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিআইবিএম- এর পরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে ৮ কোটি ৫০ লাখ ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে। যার মধ্যে ৩ কোটির মত রয়েছে স্কুল ব্যাংকিং ও কৃষকের ১০ টাকার একাউন্ট। বাংলাদেশে ২০১৩ সাল শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট সম্পদের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার বিলিয়ন টাকা। যা এর আগের বছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি শেষে ব্যাংকের মোট আমানতের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার বিলিয়ন টাকা।

তিনি জানান, ব্যাংকগুলোর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। এই ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ফলে কৃষি খাত জিডিপিতে অতিরিক্ত ৫ দশমিক ৭ শতাংশ অবদান রাখতে পারছে বলে তিনি জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যন প্রফেসর ড. শাহ মো. আহসান হাবিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

এসএই/