এইচআইভি ঝুঁকিতে রাজশাহী অঞ্চল

hibএইচআইভি-ভাইরাস ঝুঁকিতে রয়েছে রাজশাহী অঞ্চল। ভারতের সীমান্ত ঘেষা হওয়ায় কারণে রাজশাহী অঞ্চলে এইচআইভি-এইডস ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পার্শবর্তী দেশ ভারতে এচিআইভি-এইডস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে রাজশাহী অঞ্চলে এ রোগের ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতিসংঘের এইডস এবং এইচআইভি বিষয়ক প্রকল্প ইউএনএইডস’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১২ সালে এইচআইভি আক্রান্ত ৩৩৮ জন এবং এইডস আক্রান্ত ১০৩ জন রোগী চিহিত করা হয়েছে।  ইউএনএইডস’র মতে রাজধানী ঢাকায় প্রায় ২ কোটি লোকের বাস হলেও সেখোনে এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন ১২৮ জন। আর রাজশাহীতে মাত্র ৭ লাখ লোকের বাস। এখানে এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে ৬ জন। এ পরিসংখ্যান থেকে ঢাকার তুলনায় আনুপাতিক হিসাবে রাজশাহীতে এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারতে এইচআইভি-ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। রাজশাহীর সোনমসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বহু ট্রাক ড্রাইভার ও হিজড়াসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের ভারতে যাতায়াত করে। এ কারণে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভারতের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এইই্ইভি ভাইরাসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে আছে।

রাজশাহী হিজড়াদের উন্নয়নে কাজ করছে বেসরকারি সংস্থা লাইট হাইসের ‘মধুমতি’ প্রকল্প। লাইট হাউসের ড্রপ ইন সেন্টারের ম্যানেজার মোফাজ্জল হোসেন জানান, রাজশাহীতে ৫০০ এর বেশি হিজড়া রয়েছে। এরা সবাই এইচইইভি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।  হিজড়াদের নিয়ে সচেতনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন তারা।

লাইট হাউসের এসবিএসডাবলু প্রজেক্টের আউট রিচ সুপারভাইজার মাকসুদুল মান্নান মোহন জানান, রাজশাহী অঞ্চল এইচআইভির ঝুঁকির মধ্যে আছে। এক কারণে মহানগরীতে বেশ কয়েকটি লাইট হাউস ভাসমান পতিতা, হিজড়াদের নিয়ে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

এআর