ব্যালন ডি’অর তালিকায় মেসি-রোনালদো-নয়ার

0
79
Ballon2
ফিফা ব্যালন ডি’অর- ২১০৪ পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি এবং ম্যানুয়েল নয়ার।

ফিফা ব্যালন ডি’অর এর কথা উঠলেই সবার মনে আসে ২টি নাম। তারা হলেন- মেসি আর রোনালদো। নিঃসন্দেহে তারা বর্তমান সময়ের সেরা খেলোয়াড়। গত ৬ বছরে বিশ্বের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন ডি’অরও পেয়েছেন এই ২ জনই।

২০০৮ সালে প্রথমবার ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার পেয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা ৪ বার এই পুরস্কার অর্জন করেন বার্সালোনার আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি।

Ballon
ফিফা ব্যালন ডি’অর- ২১০৪ পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি এবং ম্যানুয়েল নয়ার।

২০১৩ সালে আবারও মেসিকে টপকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার হাতে নেন রোনালদো।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ও ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের দেয়া ব্যালন ডি’অর- ২১০৪ পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকা গতকাল সোমবার ঘোষণা করা হয়েছে।

এবছরও এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন রোনালদো এবং মেসির নাম। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছেন ব্রাজিল বিশ্বকাপ জয়ে জার্মানির অন্যতম নায়ক ম্যানুয়েল নয়ার।

টানা ৪ বারের বর্ষসেরা মেসি গত মৌসুমে ক্লাব ফুটবলে কোনো শিরোপা জিততে পারেননি। কিন্তু ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে অসাধারণ খেলেছেন তিনি। জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে হারের পরও বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।

অপরদিকে ২০০৮ ও ২০১৩ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার রোনালদো জাতীয় দলে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি। তবে বিশ্বকাপের পর ক্লাবের হয়ে ফর্মের তুঙ্গে আছেন পর্তুগালের এই তারকা। ক্লাবকে উয়েফা সুপার কাপ জেতাতেও দারুণ অবদান রাখেন রোনালদো। তাছাড়া গত মৌসুমে ক্লাবের হয়ে কোপা দেল রে জেতেন তিনি।

গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদকে ১০মবারের মতো ইউরোপের সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতাতে অসাধারণ অবদান রাখেন রোনালদো। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গড়েন এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত গোলের রেকর্ড।

২ ফরোয়ার্ড মেসি-রোনাদোকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের তালিকায় আছেন জার্মানির গোলরক্ষক নয়ার।

গত মৌসুমে ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে জার্মানির শীর্ষ লিগ বুন্দেসলিগার শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল নয়ারের। ব্রাজিল বিশ্বকাপে চমৎকার খেলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন এই জার্মান তারকা।

তবে কার হাতে উঠছে এই সেরা পুরস্কার তার জানান জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিন জুরিখে দেওয়া হবে এই পুরস্কার।

প্রসঙ্গত, ফ্রান্স ফুটবল ১৯৫৬ সাল থেকে ইউরোপের সেরা ফুটবলারকে ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়া শুরু করে। ২০০৭ সাল থেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

২০১০ সালে ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কারের সঙ্গে একীভূত হয়ে এর নাম দেওয়া হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর। বিজয়ীরা নির্বাচিত হন জাতীয় দলগুলোর অধিনায়ক ও কোচ এবং ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের বাছাই করা ক্রীড়া সাংবাদিকের ভোটে।

সূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট

এমই/