ফের গ্রেপ্তার দাউদ মার্চেন্ট

0
161
Daud Marchent
২০০৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তারের পর দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ট সহযোগী দাউদ মার্চেন্ট। ছবি: সংগৃহীত

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ভারতের গুলশান কুমার হত্যা মামলার আসামি আবদুর রউফ ওরফে দাউদ মার্চেন্টকে আবারও আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Daud Marchent
২০০৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তারের পর দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ট সহযোগী দাউদ মার্চেন্ট। ছবি: সংগৃহীত

তারা জানান, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তির পর ওই রাতেই দাউদ মার্চেন্টকে আটক করা হয়। দুবাইভিত্তিক ভারতীয় মাফিয়া নেতা দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ট সহযোগী হিসেবে পরিচিত তিনি।

কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জ্যেষ্ঠ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ১৯ নভেম্বর একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পান দাউদ মার্চেন্ট। গত ২৯ নভেম্বর তার জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছালে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ৪৫ বছর বয়সী দাউদ মার্চেন্টকে আবারও আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা।

তবে গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমির হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় আমাদের কোনো সদস্য কারাগারের বাইরে দায়িত্বে ছিলেন না।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের ১২ আগস্ট আন্ধেরির একটি মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মুম্বাইয়ের সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টি-সিরিজের স্বত্ত্বাধিকারী গুলশান কুমার। এ মামলায় সন্দেহভাজন ভাড়াটে খুনি দাউদ মার্চেন্টকে গ্রেপ্তারের পর ২০০২ সালে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ভারতের আদালত। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন দাউদ মার্চেন্ট।

২০০৯ সালে ১৪ দিনের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে পালিয়ে যান দাউদ। ওই বছরের ২৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশের পুলিশ। এসময় তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। দাউদ মার্চেন্টের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইনে মামলা করা হয়েছিল।

মামলায় বলা হয়েছিল, অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থান করছিলেন দাউদ। ভারতের অপরাধ জগতের আলোচিত ডন দাউদ ইব্রাহিম বাংলাদেশে কর্মকাণ্ড বিস্তারের জন্যই দাউদ মার্চেন্টকে এ দেশে পাঠান।

এমই/