আমদানি কমেছে ‘ব্যাক টু ব্যাক’ পণ্যের

0
655
cotton
ফাইল ছবি

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তৈরি পোশাক খাতের জন্য ব্যবহৃত কাঁচামালের আমদানি সেপ্টেম্বরের তুলনায় কমেছে। আর  সামগ্রীকভাবে আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার হার কমেছে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

তবে অক্টোবরে সামগ্রীক আমদানি বেড়েছে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এলসি সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

যেসব জিনিস আমদানি করে তা দিয়ে অন্যকিছু তৈরির পর আবার বিদেশে রপ্তানি করা হয় তাকে ব্যাক টু ব্যাক বলে। ব্যাক টু ব্যাক আমদানি করা জিনিসের মধ্যে আছে সুতা, কাপড়, এক্সেসরিস ও অন্যান্য সামগ্রী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী,  সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে এসব জিনিসের আমদানি কমেছে ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার হার কমেছে প্রায় ২৯ শতাংশ।

সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাক টু ব্যাক ভিত্তিতে পণ্য আমদানি করা হয়েছিল ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ মার্কিন ডলারের। আর ঋণপত্র খোলা হয়েছিল ৬২ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলারের।

কিন্তু অক্টোবরে এসব পণ্য আমদানি করা হয়েছে ৪৭ কোটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারের। আর ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৪৪ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রীক আমদানি বেড়েছে ১১ শতাংশ।

অক্টোবর মাসে সামগ্রীক আমদানি হয়েছে ৩১৫ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য; যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৮৪ কোটি মার্কিন ডলার।

এসময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয় ১৫ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলারের; যা গত মাসে ছিল ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

এছাড়া খাদ্য পণ্যের মধ্যে গত মাসের তুলনায় এক কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি চাল, প্রায় ৫০ লাখ ডলারের বেশি চিনি ও ৯২ লাখ ডলারের বেশি পরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়েছে।

আর এ মাসে আমদানি কমেছে গম, ডাল ও অপরিশোধিত তেলের।

এসএই/