‘৬৬% মানুষ অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে আগ্রহী নয়’

0
91
apartment bd
ফাইল ছবি
apartment bd
ফাইল ছবি

দেশের প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ নিজেদের জন্য বাসা কিনতে চায়। এ কারণে তারা ভালো বাসা পেতে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুজিও করে। কিন্ত বাসা ক্রয়ে জালিয়াতি এবং অসামর্থের কারণে ৬৫.৭ শতাংশ মানুষ অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে আগ্রহী হয় না। আর ১২.৫ শতাংশ মানুষের অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে কোনো আগ্রহই নেই।

সম্প্রতি অনলাইন রিয়েল এস্টেট মার্কেট প্লেস লামুডি বাংলাদেশ’র এক গবেষণায় এমন তথ্য জানা গেছে।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘রিয়েল এস্টেট সামিট ২০১৪’তে এ গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। লামুডি বাংলাদেশ এবং সিটিস্কেপ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

গবেষণার বরাত দিয়ে অনুষ্ঠানে লামুডি বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজেশ গ্রোভার জানান, প্রপার্টির সহজলভ্যতার কারণে ৮.১ শতাংশ, মালিকানায় বাসস্থানের নিশ্চয়তার জন্য ৭৩ শতাংশ, পরিবার এবং বন্ধুদের নিকট থেকে আর্থিক সহায়তার জন্য ১৩.৫ শতাংশ এবং অন্যান্য কারণে ৫.৪ শতাংশ মানুষ বাসা কেনায় আগ্রহী।

গবেষণায় আরও জানা গেছে, বাসা ভাড়া ও কেনার জন্য মানুষ তিনটি বিষয়ের দিকে নজর দেয়। এর মধ্যে প্রধান এবং প্রথম বিষয় হলো নিরাপত্তা। তারপর রয়েছে বাড়ির অবস্থান এবং জীবনযাপনের মান ও সাংস্কৃতিক বিষয়াদি। তবে ভাড়া বা কেনা যাই হোক না কেন, ৮০ শতাংশ মানুষ এখন অ্যাপার্টমেন্টে বাস করতে চায়।

রাজেশ গ্রোভার বলেন, এসব কারণে রিয়েল এস্টেটের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এদেশের আবাসন সমস্যার সমাধান এবং ঢাকাকে একটি বাসযোগ্য নগরীতে (পরিকল্পিতভাবে নতুন রুপে) গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি জানান, এর জন্য প্রয়োজন আবাসন খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ।

গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে লামুডি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, ৫৫ শতাংশ আবাসন ব্যবসায়ীরা মনে করে এখনই এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উপযুক্ত সময়। বিগত কয়েক বছরে ৭৩ শতাংশ জীবনযাপনের মান উন্নয়ন, ৪৫ শতাংশ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ৭৩ শতাংশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারনেই সম্ভবনাময় এ খাতে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সিটিস্কেপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ সরোয়ার বলেন, আমাদের আবাসনের সাথে সাথে পরিবেশ নিয়েও চিন্তা করতে হবে। তা না হলে ভালো আবাসন ভালো হলেও আমাদের অস্তিত্বের সংকট তৈরি হবে। কারণ আমরা দৈনন্দিন কাজের ৯০ শতাংশ সময় বাসা বা কর্মক্ষেত্রে ব্যয় করি। সেটা যদি ভালো না হয় তবে আমরা ভালো থাকবো না। তাই সুস্থতার জন্য আমাদের নতুনভাবে ভাবতে হবে।

অনুষ্টানে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্ট বাংলাদেশের সভাপতি আবু সাইদ আহমেদসহ বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির কর্মকর্তারা উপস্থি ছিলেন।

এসএই/এসবি