ই-সিগারেটে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সারের উপাদান!

0
99
E-cigarettes
E-cigarettes
ই-সিগারেটে ব্যবহৃত তার বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এসব ক্ষতিকারক পদার্থগুলো বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয়।

ই-সিগারেটে প্রচলিত সিগারেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান রয়েছে।

সম্প্রতি জাপানের স্বাস্থ্যবিদরা এক গবেষণায় ই-সিগারেটে ব্যবহৃত তরল যে বাষ্প উৎপাদন করে; তাতে ফরমালডিহাইড এবং অ্যাসিটালডিহাইডসহ একাধিক ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী রাসায়নিক খুঁজে পেয়েছেন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এই পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, ই-সিগারেটে ব্যবহৃত তার বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এসব ক্ষতিকারক পদার্থগুলো বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয়।

জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথের কর্মকর্তা ডা. নাউকি কুনুগিতা জানান, গবেষণায় ই-সিগারেটের একটি ব্র্যান্ডে সাধারণ সিগারেটের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান পেয়েছেন।

এসব সিগারেটে উচ্চ মাত্রায় ফরমালডিহাইড এবং তুলনামূলক কম মাত্রায় অ্যাসিটালডিহাইড পাওয়া গেছে।

ফরমালডিহাইড ভবন নির্মাণ ও গন্ধযুক্ত তরল তৈরিতে এবং অ্যাসিটালডিহাইড রাসায়নিক কারখানায় অ্যাসিড ও অন্যান্য রাসায়নিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

এ তথ্য ই-সিগারেট প্রচলিত সিগারেটের চেয়ে অধিকতর নিরাপদ এ ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। জাপানেও ই-সিগারেট এখনো পর্যন্ত অনুমোদিত নয়।

এ ধারণার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে তরুণদের মাঝে ই-সিগারেট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ সিগারেটে নিকোটিনসমৃদ্ধ তরল বাষ্প আকারে গ্রহণ করা হয়, কিন্তু এতে কোনো ধোঁয়া উৎপন্ন হয় না।

এর আগে গত আগস্টে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ই-সিগারেটকে ক্ষতিকর আখ্যায়িত করে তা নিষিদ্ধ করার জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এ সিগারেট শিশু, কিশোর, গর্ভবতী এবং প্রজননক্ষম নারীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।