৪ মাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১১.৫২%

0
91
এনবিআর ভবন
এনবিআর ভবন
এনবিআর ভবন
এনবিআর ভবন

২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিসংখ্যান বিভাগ জানিয়েছে, রাজস্ব আহরণের এ হার চলতি অর্থবছরের আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ কম; টাকার অংকে যা ২ হাজার ১৪১ কোটি।

এনবিআর সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর)  প্রায় ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এনবিআর।

তবে অক্টোবর মাসে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) খাতে রাজস্ব আহরণ কমে যায়। ফলে অর্থবছরের প্রথম ৪ মাস শেষে রাজস্ব আহরণের প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়ায় ১১.৫২ শতাংশ।

এ সময়ে ৩৯ হাজার ৪৩১ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করেছে এনবিআর। যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। তবে এটি চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২ হাজার ১৪১ কোটি টাকা কম। যা প্রবৃদ্ধির বিচারে প্রায় ১০ শতাংশ কম।

সূত্র আরও জানায়, রাজস্ব আহরণের প্রধান তিনটি খাতের মধ্যে আয়কর ও আমদানি-রপ্তানি পর্যায়ের শুল্ক খাতে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি লক্ষ্য অর্জিত হলেও সামান্য পিছিয়ে আছে ভ্যাট খাত। অর্থবছরের প্রথম চার মাসে স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট খাত থেকে ১৫ হাজার ৯৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ১৩ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা কম। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি।

রাজস্ব আহরণের আরেকটি খাত আয়কর থেকে প্রথম ৪ মাসে এসেছে ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। যার প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আর শুল্ক খাতে রাজস্ব এসেছে ১১ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।

প্রসঙ্গত, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে ২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এনবিআর। এর মধ্যে মূসকে ৫৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, আয়করে ৫৬ হাজার ৫৮০ কোটি, শুল্কে ৩৫ হাজার ৭২০ কোটি ও অন্যান্য কর বাবদ ৯২০ হাজার কোটি টাকা আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে হিসেবে বছরের প্রথম ৪ মাসে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থেকে এনবিআর পিছিয়ে প্রায় ১০ শতাংশ।

এইউ নয়ন/এসএম