সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

0
95
Mahbubur_bg
পটুয়াখালি-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী মাহবুবুর রহমান
Mahbubur_bg
পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান ফাইল ছবি

অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কমিশনের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ২১ আগস্ট এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় তিনি জামিনে আছেন।

দুদক সূত্র জানায়, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও হলফলামায় দেওয়া সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে গত ১২ জানুয়ারি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এরপর দুদকের দেওয়া নোটিসের জবাবে গত ৩ এপ্রিল কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন তিনি।

সম্পদ বিবরণীতে নিজ নামে ৩ কোটি ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ২ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৫ কোটি ৮৫ লাখ ৫১২ টাকার সম্পদের হিসাব দেন মাহবুবুর রহমান। কিন্তু এ সম্পদ আয়ের সঠিক উৎস দেখাতে পারেননি তিনি।

সূত্র আরও জানায়, মাহবুবুর রহমান ২০০৮ সালের হলফনামায় ৫০ লাখ ৮৮ হাজার ৫১২ টাকার সম্পদের হিসাব দেন। ২০১৩ সালের হলফনামায় দেন ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৫১২ টাকার সম্পদের হিসাব। অর্থাৎ মাত্র ৫ বছরেই তার ৫ কোটি ৮৪ লাখ ১২ হাজার ৪০০ টাকা সম্পদ বেড়েছে। এটা অস্বাভাবিক ও নির্দিষ্ট উৎস না থাকায় দুদকের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে তিনি অসাধু ‍উপায়ে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তাই ৫ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় এবং ১ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর২৭(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

এইউ নয়ন